Friday, August 6, 2021

19>ত্যাগ-তিতিক্ষা= নচিকেতার গল্প কথা)

  19>||ত্যাগ-তিতিক্ষা= নচিকেতার গল্প কথা)


অনেক দিন আগের কথা। সেকালে বাজশ্রবা নামে এক মুনি ছিলেন। 

মুনি ছিলেন পরম ধাৰ্মিক 

এবং যাগযজ্ঞপরায়ণ। 

তার এক ছিলো পুত্র —নাম নচিকেতা।

বাজশ্রবা মুনিএকদিন এক যজ্ঞ করলেন, 

সেই যজ্ঞে আমন্ত্রিত ব্রাহ্মণ পুরোহিতদের গোদান করলেন, উপহার-উপঢৌকনে ভরিয়ে দিলেন দরিদ্র ব্রাহ্মণদের। ছোট্ট ছেলে নচিকেতা, দূরে দাঁড়িয়ে দেখলেন বাবা যে গোরুগুলো দান করলেন, সেগুলো মৃতবৎসা। সেগুলি কখনই

 দুধ দেবে না। আর উপহার সামগ্রীর বেশির ভাগ টাই অকাজের। বাবার এহেন ভ্রষ্টাচারে, লজ্জিত নচিকেতা বাবাকে  জিজ্ঞেসা করলেন “বাবা, তোমার এমন লোক-ঠকানো অকিঞ্চিৎকর দানের অর্থ”? ছোট মুখে বড় কথা, বাজশ্রবা চিৎকার করে বললেন ‘এবার তোমাকেও আমি যমের দক্ষিণ দুয়ারে পাঠাব’। সেটাই হবে আমার মহত্তম দান। মুখ থেকে কথা খসামাত্রই যমদূতেরা হাজির, তারা নচিকেতাকে জোড়করে  টেনে নিয়ে গেল যমরাজের দরবারে। 


এদিকে যমরাজ বিশেষ কাজে যম লোকের বাইরে। যমরাজ তিনদিন  বাদে ফিরে  ক্ষুধা তৃষ্ণায় কাতর নচিকেতাকে এমন ভাবে দেখে তাকে নিয়ে আসার হেতু জানতে চাইলেন এবং মুগ্ধ হলেন ওইটুকু ছেলের ত্যাগ-তিতিক্ষায়। 

ফুটফুটে নচিকেতাকে কোলে বসিয়ে যমরাজ ভূরিভোজনের ব্যবস্থা করলেন,এবং নচিকেতাকে  তিনটি বর প্রদান করলেন। 

প্রথম বরে নচিকেতা তাঁর বাবার বুদ্ধি বিভ্রমের প্রতিকার চাইলেন। যমরাজ বললেন তথাস্তু। দ্বিতীয় বরে, যজ্ঞে মোক্ষলাভের গোপন বীজমন্ত্র শিখতে চাইলেন নচিকেতা। সেটিও মঞ্জুর হল। যমরাজ আরও বললেন, তিনবার এই যজ্ঞ সমাপনে নচিকেতাকে আর জন্ম মৃত্যুর পাকেচক্রে আবর্তিত হতে হবে না। পরম ব্রহ্মের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে নচিকেতার। আর যজ্ঞটিও পরিচিত হবে ‘নচিকেতা যজ্ঞ’ নামে। 

এবার তৃতীয় বরের পালা। নচিকেতা যমরাজের কাছে জানতে চাইলেন মৃত্যুর পর কী পরিণতি হয় মানুষের? গূঢ়, গোপনীয় তথ্য। যমরাজ বললেন, যে প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেবতারাও জানেন না, হে নচিকেতা তুমি তার নাগাল পাবে কীভাবে? নাছোড় নচিকেতা। মরণের পরের সংবাদ তাঁর চাইই চাই। ভুলিয়ে-ভালিয়ে যমরাজ বিশাল রাজ্য, পরমাসুন্দরী অপ্সরা, বিপুল বৈভব, ক্ষমতা আর ঐশ্বর্যের লোভ দেখালেন। খেয়ে পরে সুখে শান্তিতে দিনগুজরানের প্রতিশ্রুতি দিলেন। নচিকেতা বললেন, সুখ শান্তি কতদিনের? যে মুহূর্তে আপনি ডাকবেন, পরনের সুতোটিও ছেড়ে আপনার শরণাগত হতে হবে। তাহলে বিত্ত-বৈভব-ইন্দ্রিয়সুখ তো ক্ষণিকের মায়া, মরীচিকা। অবশেষে যমরাজ বাধ্য হয়ে বললেন 

পথ দুটো: একটা ভোগের, 

               দ্বিতীয়টা ত্যাগের। 

প্রথম পথের শেষে স্বাগতম জানাবে মৃত্যু। 

দ্বিতীয়টি আত্মজ্ঞানের, 

উত্তরণ-উন্মোচন-আত্মোপলব্ধির, অমরত্বের। 

নচিকেতা দ্বিতীয় পথটিকেই বাছলেন। 

তখন যমরাজ তাঁকে রথের উপমা টেনে শরীর-মন-বুদ্ধি-অনুভূতি-জীবাত্মার স্বরূপ

বর্ননা করে বললেন--

“আত্মানং রথিনং বিদ্ধি শরীরংরথমেব তু।

/বুদ্ধিংতু সারথিং বিদ্ধি মনঃপ্রগ্রহমেব চ।।

/ ইন্দ্রিয়াণি হয়ানহুর্বিষয়াংস্তেষু গোচরান।

/আত্মেন্দ্রিয়মনোযুক্তং ভোক্তেত্যাহর্মনীষিণঃ” 

(কঠোপনিষদ ১।৩। ৩-৪)। 


অর্থাৎ আত্মা রথী, শরীর নামক রথে আরূঢ় তিনি। রথের সারথি বুদ্ধি। মন হল লাগাম। আর ঘোড়া পঞ্চেন্দ্রিয়। মন, বুদ্ধি স্থির থাকলে শরীর রথ নিবাত-নিষ্কম্প। সাফল্য করায়ত্ত। কিন্তু মন-বুদ্ধি-হৃদয় বিপথগামী হলেই শরীর নামক রথও বিগড়বে। রথে জোতা অশ্বের বিশৃঙ্খল আচরণে প্রাণসংশয়ের সম্ভাবনা বাড়ে সারথি বা রথীর! রথী জীবাত্মা, সারথি পরমাত্মা। ঘোড়ারা ক্ষ্যাপামি করলে, সারথির পক্ষে রথের ভারসাম্য বজায় রেখে সঠিকপথে রথের পরিচালন অসম্ভব হয়ে পড়ে। শরীর রথের অন্দরে, হৃদয়ে সমাসীন জীবাত্মা, মন-বুদ্ধি তাকে পথ দেখিয়ে নির্দিষ্ট লক্ষে পরমাত্মার সঙ্গে মিলিয়ে দেবে। 

হৃদয়-মন-বুদ্ধির সামান্য বেচালে শরীর-রথ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পথভ্রষ্ট হয়। জন্ম-মৃত্যুর পঙ্কিল ঘূর্ণিপাকে কলুর বদলের মত নিশিদিন ঘুরপাক খেতে থাকে নশ্বর মনুষ্যজীবন। শোক-তাপ-জরা থেকে মেলে না মুক্তি। 


ষড়রিপু বা ইন্দ্রিয়কে চালনা করে মন, ইন্দ্রিয়ের থেকে বড় তাই মন, মনের থেকে বুদ্ধি। হৃদয়ের অন্তঃস্থলে আসীন আত্মা—‘পুরুষ’, অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারলে তবেই তার সঙ্গে মিলন হবে ‘প্রকৃতি’র। সেই ব্রাহ্মমুহূর্তে অপার্থিব আলোর ঝলকানিতে সৃজিত হবেন পরমাত্মা, পরমব্রহ্ম। 


ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব বলছেন, ডাব নরম শাঁস আর জলে ভর্তি, জড় আর চেতন মিলেমিশে ঢ্যাবঢ্যাবে। ঝুনো নারকেল পরিপুষ্ট, পরিণত, খটখটে। খোসা থেকে সহজেই আলাদা করা যায়। মনকে শক্ত হাতে লাগাম পরাতে পারলেই জাগতিক কামনা বাসনা থেকে মুক্ত হয়ে, ঝুনো নারকেল, ব্রক্ষ্মের স্বরূপে উপনীত হওয়া সম্ভব। 


ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব  দিনের মধ্যে ৩৬ বার সমাধিস্থ হতেন, ডাঃ মহেন্দ্রলাল সরকার তাঁর নাড়ির হদিশ পেতেন না। আশ্চর্য হয়ে তিনি স্বগতোক্তি করেছিলেন পরমহংস ৩৬ বার মরছে আবার বেঁচেও উঠছে, কোন জাদুবলে? সমাধিকালে আত্মাকে নারকোলের মত শরীর নামক খোসা থেকে ছাড়িয়ে নিয়েই নাড়ির স্পন্দন বিরহিত হতেন রামকৃষ্ণদেব।

  ‘জীবনমুক্তিঃ সুখমপ্রাপ্তিঃ’। 


চিকিৎসাশাস্ত্রে যার ব্যাখ্যা ডাঃ সরকার খুঁজে পাননি। সাধনমার্গের সাধকদের পক্ষেই এ মায়ার খেলা সম্ভব। 


রথযাত্রা আসলে সফর/পথচলা। 

ব্রক্ষ্মের সঙ্গে মিলনের বাহন রথ। 


দক্ষিণ ভারতের রথোৎসবে তাই সাড়ম্বরে পালিত হয় ‘ব্রহ্মোৎসব’। 

কিন্তু পুরীর রথে ব্রহ্মোৎসব অনুপস্থিত। মানুষের শরীর-রূপী রথে মোক্ষলাভের সমস্ত উপকরণই মজুত। 



রথে আসীন শ্রীশ্রী জগন্নাথদেব মানুষের মধ্যে নেমে এসে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন কীভাবে যাত্রার শেষে অভীষ্ট মোক্ষের পথে পৌঁছতে হবে! 

তাই পুরীর রথযাত্রায় নেই কোনও ভেদাভেদ। নেই উচ্চ-নীচ, ধনী-নির্ধনের বিচার। মোক্ষের পথ, ধর্মাধর্ম ভেদে আলাদা হতে পারে না। 

গজপতি রাজাকেও, আত্মসম্মার্জনার পথে, পুরীর রথে ঝাড়ু দিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করতে হয়। 

ভিন্নধর্মী আলেকজান্ডার ক্যানিংহ্যাম বা শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর শ্রীমন্দিরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও, পুরীর রথে স্বাগতম সকলেই। 

সতেরশো শতাব্দীর ঘটনা। জাহাঙ্গিরের সুবেদার, ভক্ত কবি  ‘সালাবেগ’ রথ-দর্শনে পরিত্রাহি ছোটার সময় পড়ে গিয়ে জখম হলেন। প্রভুর কাছে করুণ মিনতিতে বললেন দয়াপরবশ হয়ে প্রভু একটু যদি ‘সালাবেগের’ জন্য অপেক্ষা করেন। কী স্পর্ধিত আবদার! বড়া ডান্ডা অর্থাৎ মন্দিরের সামনের গ্র্যান্ড রোডে জগন্নাথদেবের ১৬ চাকার রথ ‘নন্দিঘোষ’ গেল আটকে, সারথির প্রাণপণ চেষ্টাতেও নড়ল না স্থাণুবৎ রথ। 

আজও ‘বড়া ডান্ডায়’ রথের দিন সাময়িক আটকে থাকে রথ। ভিন্ন ধর্মের মানুষদের দর্শনাকাঙ্ক্ষা পূরণে সিংহদ্বারে জগৎপিতা সব ধর্মের মানুষকে পতিতপাবন-রূপে দিবারাত্র দর্শন দেন। ‘ব্রহ্মোৎসব’ পুরীর রথ লোকাচারে বেমানান, তাই বাতিল।  

মানবশরীর যেমন পঞ্চভূতে গড়া, তার সমাপ্তিও তেমন পঞ্চভূতে বিলীন। শ্রীকৃষ্ণ, শ্রীজগন্নাথদেবের রথও তেমন পঞ্চ উপাদানে তৈরি, কাঠ-ধাতু-রঙ-কাপড়-জরি। 

মন ও বুদ্ধি বা চেতনার যথোপযুক্ত প্রদর্শনে পুরীর রথে সারথি অর্জুন, 

আর মহাভারতের যুদ্ধে রথের রশি শ্রীকৃষ্ণের হাতে, রথী অর্জুন। 

মন, সাধারণ মানুষের বুদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করে, বুদ্ধি মনকে নিয়ন্ত্রণ করলেই সাধনমার্গের দরজা খুলে যায়। 


মানসিক চাপ হৃদপিণ্ডের ক্ষতি করে, ধমনীতে চর্বি জমে, রক্তপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে হার্ট অ্যাটাকের সূচনা হয়। ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধলে, মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাঁধা পায় ফলে অবশ্যম্ভাবী হয় ব্রেন স্ট্রোক। 

মন-হৃদয়-মস্তিষ্ক একতারে বাঁধা। রথের রশি-অশ্ব-সারথির সন্ময় যুগলবন্দিতে সামান্য তাল কাটলে রথও যেমন বেসামাল, মানবশরীরও তাই।

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

====================



Tuesday, August 3, 2021

18>||এক নারী চরিত্র গহরবানু, ||

 18>||এক নারী চরিত্র গহরবানু, ||


চম্বলের পুতলীবাঈ, যে নর্তকী হাতে নিয়েছিল বদলার রাইফে

মধ্যপ্রদেশের মোরেনা, ভিন্দ, শেহপুর ও গোয়ালিয়র, উত্তর প্রদেশের জালাউন, এটাওয়া, রাজস্থানের ঢোলপুর জেলাগুলি নিয়ে প্রায় ১০ হাজার বর্গ কিমি এলাকা জুড়ে আছে চম্বল উপত্যকা।
যার মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে ইতিহাসের চমনবতী নদী।
আজ যার নাম চম্বল।
ভারতের একমাত্র নদী যা দক্ষিণ দিকে না এসে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ঘুরে উত্তরপ্রদেশের কানপুরের কাছে যমুনায় মিশেছে এই চম্বল নদী।

চম্বল নদীর জলধারা হাজার হাজার বছর ধরে বিভিন্ন স্রোতে বিভিন্ন দিকে বয়ে, এলোমেলো ভাবে ভূমিক্ষয় ঘটিয়েছে। প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্টি করেছে করে ১০ থেকে ৩০ ফুট উঁচু হাজার হাজার মাটির পাহাড়। পাহাড়গুলির গা বেয়ে নেমে এসেছে  সংকীর্ণ গিরিখাত।

প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালে তৈরি হয়েছে মাটির গুহা, ফাটল, সুড়ঙ্গ।
লোকচক্ষু এড়িয়ে কোনও ফাটলের মধ্যে দিয়ে মাইলের পর মাইল চলে যাওয়া যায়।
 শক্ত কাদামাটি দিয়ে তৈরি ছাদবিহীন গুহার মতো ঘেরা জায়গাগুলিকে বলে বেহড়।

এর থেকে পুরো মালভূমি এলাকাটির নামই হয়ে গেছে বেহড়।



চম্বলের বেহড়

অভিশপ্ত নদী চম্বল

লোকগাথা থেকে জানা যায় আর্যরাজ রন্তিদেব একবার অসীম ক্ষমতার লোভে গোমেধ যজ্ঞ করেন। যজ্ঞের সময় কয়েক সহস্র গাভির বলিদানে চম্বল নদীর জল হয়ে উঠেছিল রক্তবর্ণ। রাজা ও চম্বল নদীকে অভিশাপ দিয়েছিলেন ব্রাহ্মণরা। অন্য আরেকটি লোকগাথা বলছে, দ্রৌপদীকে শকুনি অপমান করার সময় চম্বল নদী নিশ্চুপ থাকায় দ্রৌপদী অভিশাপ দেন চম্বল নদীকে।

দ্রৌপদী ও ব্রাহ্মণদের শাপে চম্বল নদী হয়ে ওঠে অশুভ এবং অভিশপ্ত।
তাই আজও চম্বল নদীর তীরে গড়ে ওঠেনি কোনও জনবসতি ও ধর্মস্থান।
চম্বল ভারতের একমাত্র নদী, যে পূজা পায়না। যার জল দিয়ে কোনও পবিত্র কাজ হয়না। প্রবাদে বলে, “চম্বল নদীর জল যে পান করে সে বাগী হয়ে যায়।”

চম্বলের বেহড় বলে ‘খুন কা বদলা খুন’

বিশ্বের কাছে চম্বলের পরিচিতি তার রুক্ষ সৌন্দর্যের জন্য নয়। কুখ্যাত বাগী বা দস্যুদের মুক্তাঞ্চল হিসেবে। তবে চম্বলের দস্যুদের সঙ্গে ভারতের অনান্য ডাকাতদের মিল পাওয়া যাবে না। চম্বলের দস্যুরা কখনও ব্যাঙ্ক, পেট্রোল পাম্প বা সরকারি খাজানা লুঠ করে না। এখানকার দস্যুরা নিজেদের দস্যু বলেনা, বলে বাগী, যার অর্থ বিদ্রোহী।

এরা বাগী হয় বদলা নেওয়ার জন্য।
রুক্ষ এলাকাটিতে আবহমান কাল ধরে লেগে থাকে জাতপাতের বিদ্বেষ, পরিবার-পরিবারে জমিজমা ও সম্পত্তি নিয়ে লড়াই। বিভিন্ন গ্রামের মধ্যে রেষারেষি, অসহায় ও গরীবদের ওপর ধনীদের অত্যচার। এই সেই চম্বল যেখানে হানাহানি চলে বংশ পরম্পরায়। যেখানে পুর্বপুরুষের অসম্মান বা হত্যার বদলা নেওয়া হয় কয়েক পুরুষ  ।

এলাকাটিতে বন্দুক সিগারেটের মতোই সহজলভ্য হওয়ায়, একদিন হয়তো অত্যচারীকে খুন করে বসে গ্রামের সবচেয়ে শান্ত ছেলেটি কিংবা দিনের পর দিন ধর্ষিতা হতে থাকা মহিলাটি।
খুনের পর পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে তারা পালায় বেহড়ে। তাদের আশ্রয় দেয় চম্বলের বেহড়ে লুকিয়ে থাকা দস্যুদল। কমপক্ষে একটা খুন করলে তবেই জায়গা মেলে দলে। কারণ যে খুন করেছে সে পুলিশ ও বদলার ভয়ে দল ছেড়ে যাবে না। এভাবেই বাড়তে থাকে বাগীদের সংখ্যা।

এভাবেই চম্বল নদী খুব কাছ থেকে দেখেছে মান সিং, লাখন সিং, সুলতান সিং, মালখান সিং, মোহর সিং,সুলতানা গুর্জর ,বাবু গুর্জর, বাবা মুস্তাকিন, পান সিং তোমর, ফুলন দেবী, সীমা পরিহার, নির্ভয় সিং গুর্জর ইত্যাদি নামকরা বাগীদের। আর দেখেছিল দস্যুরাণী পুতলীবাঈকে। ভারতের প্রথম নারী দস্যু। চম্বলের রুক্ষ মাটিকে যে নারী রক্তে রাঙিয়ে দিয়েছিল অপরিসীম আক্রোশে। যাকে ধরতে গিয়ে নাজেহাল হয়ে গিয়েছিল তিন রাজ্যের পুলিশ বাহিনী।


বেহড়ের সমতল এলাকায় লুকিয়ে আছে বিভিন্ন গ্রাম।
গম, জোয়ার, বাজরা, ভুট্টা ও  ধানক্ষেত দিয়ে ঘেরা থাকে চম্বলের গ্রামগুলি।

মধ্যপ্রদেশের অম্বা তহশিলের বারাবাই গিরিখাতে সেরকমই একটি গ্রামে ছিল গহরবানুর বাড়ি।
এক হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম নিয়েছিল গহরবানু।

মা আসগরিবাঈ ছিলেন অসামান্য রূপসী। নাচ ও গান জানতেন। মায়ের রূপ আর গুণ পেয়েছিল গহরবানু। সে ও তার বোন ‘তারা‘ পেটের তাগিদে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও বিয়ে বাড়িতে নাচ গান করত। পুতুলের মত ছোট্টখাট্টো ও মিষ্টি হওয়ার জন্য রসিকরা গহরবানুর নাম দিয়েছিল পুতলীবাঈ।

আসগরিবাঈ বুঝেছিলেন পুতলীবাঈয়ের নাচ ও গানের প্রতিভাকে ছোট এলাকার মধ্যে বেঁধে রাখা উচিত হবে না। মেয়েকে নিয়ে তিনি চলে গিয়েছিলেন আগ্রা। পুতলীবাঈয়ের নাচে আর গানে মোহিত হয়ে গিয়েছিল আগ্রা শহর। পুতলীবাঈয়ের প্রতিভার কথা ছড়িয়ে পড়েছিল লখনৌ এবং কানপুরেও।

পুলিশের কানে গিয়েছিল কিশোরী পুতলীবাঈয়ের নাম। রসিক পুলিশের দল পুতলীবাঈয়ের অনুষ্ঠান দেখতে আসতে শুরু করেছিল। ফলে সাধারণ মানুষের ভিড় কমতে শুরু করেছিল। আসগরিবাঈ পুতলীবাঈকে নিয়ে ফিরে এসেছিলেন নিজের গ্রামে।

  অপহৃত হয়েছিল পুতলীবাঈ্

ঢোলপুরের জমিদারের ছেলের বিয়েতে  পুতলীবাঈকে গান গাওয়ার জন্য ডাকা হয়েছিল। বড় অঙ্কের অর্থ উপার্জনের আশায় গিয়েছিল পুতলীবাঈ। নাচ গান আর সুরার নেশায় সবাই যখন বুঁদ, বিয়েবাড়িতে হানা দিয়েছিল চম্বলের ত্রাস সুলতান সিং গুর্জর। টাকাপয়সা, সোনাদানা লুঠ করার সঙ্গে সঙ্গে অপহরণ করেছিল পুতলীবাঈকেও।

পুতলীবাঈকে সুলতান সিং নিয়ে গিয়েছিল বেহড়ের গোপন ডেরায়। কয়েকদিন পরে এক দুর্গামন্দিরে বিয়ে করেছিল পুতলীবাঈকে। দাবানলের মতো খবরটি ছড়িয়ে পড়েছিল চম্বলে। তখনও সুলতানার পরিচয় জানত না সদ্য যুবতী পুতলীবাঈ। কিন্তু সুলতান সিংয়ের মাথার ওপর ৮৪ টি নরহত্যার শমন রয়েছে জেনে এক রাতে ডেরা ছেড়ে পালিয়েছিল  পুতলীবাঈ।

অনেক কষ্টে ও কাঠখড় পুড়িয়ে ফিরে এসেছিল নিজের গ্রামে। প্রবল ঘৃণায় গ্রামবাসী একঘরে করে দিয়েছিল পুতলীকে। কিন্তু তার অপরাধ কী সেটা পুতলী বুঝতে পারেনি। সবাই মুখ ফেরালেও  মা আসগরীবাঈ তাঁর গহরকে ফিরিয়ে দেননি।

পুলিশের অত্যাচারে বেহড়ে ফিরেছিল পুতলীবাঈ

গ্রামে ফেরার পর পুতলীবাঈকে থানায় তুলে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সুলতান সিংয়ের সন্ধান জানতে ঘন্টার পর ঘন্টা অত্যাচার চালিয়েছিল নিরীহ পুতলীর ওপর।
সুলতান সিংয়ের বদলার ভয়ে মুখ খোলেনি পুতলী। দিনে রাতে পুতলীকে ডেকে পাঠানো হত থানায়। কখনও কখনও অফিসারেরা নিজেদের বাড়িতে ডেকে পাঠাতেন।
পাশবিক অত্যাচার চলত পুতলীর ওপর।
একসময় এটাই রুটিন হয়ে গিয়েছিল বিধ্বস্ত পুতলীর।

পুলিশ ও গ্রামবাসীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে,  একদিন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল পুতলী। ফিরে গিয়েছিল সুলতান সিংয়ের কাছে। খোলা আকাশের নীচে, চম্বলের বেহড়ের রুক্ষ নিরাপত্তায় শুরু করেছিল সংসার। আজ এখানে তো কাল কুড়ি কিলোমিটার দূরে কোনও নিরাপদ ডেরায় কাটত পুতলীর রাত।


এভাবেই একদিন বেহড়ে পালিয়ে গিয়েছিল পুতলী

 বাগী জীবনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছিল পুতলী

বেহড়ের মধ্যেই জন্ম নিয়েছিল সুলতান সিং ও পুতলীর মেয়ে ‘তান্নো’। তান্নোকে পুতলী  রেখে এসেছিল তার মায়ের কাছে। বন্দুক আর রক্ত থেকে দূরে রাখতে চেয়েছিল মেয়েকে। কারণ বেহড়ের জীবন নির্ভর করে একটি মাত্র গুলির ওপরে।
কে কতক্ষণ গুলিটিকে দূরে রাখতে পারে তারই লড়াই চলে প্রতিনিয়ত।

পুতলীবাঈকে বন্দুক চালানো শিখিয়েছিল সুলতান সিং। পুলিশের সঙ্গে একটি এনকাউন্টারে পুতলীর নিখুঁত নিশানায় উড়ে গিয়েছিল পুলিশের চরের মাথার খুলি। সেদিন পুতলীবাঈ উপহার পেয়েছিল একটি রাইফেল। কিন্তু পুতলীবাঈ সেদিন নামিয়ে রেখেছিল রাইফেল, বেহড়ের জীবন ছেড়ে বেরিয়ে আসতে চেয়েছিল।

হত্যার কলঙ্ক মাথায় নিয়ে ফিরতে চেয়েছিল মেয়ের কাছে। মেয়েকে একটিবার চোখে দেখার জন্য। কারণ পুতলী জানত সেদিন থেকে পুলিশের রাইফেলের নল ঘুরে গিয়েছিল তারও দিকে। কিন্তু সেদিন পুতলীকে  বেহড় ছাড়তে দেয়নি সুলতান সিং। কারণ দলে সুলতান ক্রমশ একা হয়ে পড়ছিল। পুতলী ছাড়া আর কাউকে বিশ্বাস করতে পারছিল না সুলতান।

বেহড়ের নির্মমতায় একা হয়ে গিয়েছিল পুতলী

একদিন রাতে গোপন ডেরায় শুয়েছিল সুলতান আর পুতলী। কয়েকজন পাহারা দিচ্ছিল। দলের বাকি সদস্যরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল আশেপাশে। অতর্কিতে হানা দেয় পুলিশ। শুরু হয় ‘মুঠভেড়’। সেই রাতের এনকাউন্টারে মারা যায় সুলতান সিং। পুতলীর চোখের জলে ভিজেছিল বেহড়ের মাটি।

এরপর প্রতিরাতে দলের নতুন ‘সরগনা’ দ্বারা ধর্ষিত হয়েছিল পুতলী। বুঝতে পেরেছিল তার স্বামীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। গোপন ডেরার খবর পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। দলের মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ে বলি হয়েছে সুলতান সিং।

কিন্তু এ পুতলীবাঈ সে পুতলীবাঈ নয়, বেহড়ের পুতলীবাঈয়ের পায়ে ঘুঙুর ছিল না। চম্বল নদীর জল পুতলীবাঈকে তার নিজের অজান্তেই করে তুলেছিল হায়নার মতোই হিংস্র। স্বামীর মৃত্যু ও পুলিশের অত্যাচারের বদলা নিতে পুতলীবাঈ তুলে নিয়েছিল নামিয়ে রাখা রাইফেল।

সবার আগে খুন করেছিল দলের নতুন নেতাকে। তারপর  সুলতান সিংয়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা সদস্যদের ঠান্ডা মাথায় একে একে খুন করেছিল পুতলী। পোড় খাওয়া বাগীরা চমকে উঠেছিল পুতলীবাঈয়ের নৃশংসতায়।

 পুতলীবাঈ থেকে দস্যুরাণী পুতলী

সুলতান সিংয়ের দলের কর্তৃত্ব নিজের হাতে তুলে নিয়েছিল পুতলী। তারপর পুলিশদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পুষে রাখা ক্ষোভ নিয়ে। এক রাতে দাতিয়া গ্রামের ১১ গ্রামবাসীকে পুতলীবাঈ গুলি করে হত্যা করেছিল। তার সন্দেহ হয়েছিল সেই গ্রামের বাসিন্দারা পুলিশের চর। কারণ পুতলীর ‘মুখবীর’ (দস্যুদের চর) সেরকমই তথ্য দিয়েছিল।

১৯৫০ থেকে ১৯৫৮, চম্বলে নিরবিচ্ছিন্ন সন্ত্রাস চালিয়েছিল পুতলীবাঈ। খুন, অপহরণ, তোলা আদায় কিছুই বাদ দেয়নি পুতলী। বার বার পুতলীকে এনকাউন্টারে মারতে চেষ্টা করেছে পুলিশ। কিন্তু বেহড়ের ভেতরে থাকা পুতলীবাঈ চম্বল নদীর জলে থাকা কুমীরের চেয়েও চালাক ও ভয়ঙ্কর। অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই সে বেহড়কে চিনে নিয়েছে নিজের হাতের তালুর মতো। পালটা আক্রমণে দিশেহারা করে দিত পুলিশবাহিনীকে। কখনও খালি হাতে, কখনও সঙ্গী পুলিশদের মৃতদেহ নিয়ে ফিরতে হত পুলিশবাহিনীকে।

পুলিসের সঙ্গে একটি এনকাউন্টারে হাতে গুলি লেগেছিল পুতলীবাঈয়ের। পচন ধরা হাতটি কনুই থেকে কেটে ফেলতে হয়েছিল। গোয়ালিয়রের  ডাক্তারকে সেই সময়ে ২০০০০ টাকা দিয়েছিল পুতলী। হাত হারানোর পর পুতলীর নৃশংসতা আরও বেড়ে গিয়েছিল। ছিপছিপে ছোটখাটো চেহারার পুতলীবাঈ এক হাতে ভারী রাইফেল তুলে নিখুঁতভাবে গুলিবর্ষণ করে একইভাবে তার সন্ত্রাসের রাজত্ব ধরে রেখেছিল।

 চম্বলের জলে বয় বিশ্বাসঘাতকতার স্রোত

সুলতান সিংয়ের মৃত্যু ও দলের বিশ্বাসঘাতকদের হত্যার পর একাধিক সদস্য পুতলীকে বিয়ে করতে চায়। সবাইকে ফিরিয়ে দিয়েছিল পুতলীবাঈ। কিন্তু ফেরাতে পারেনি কল্লা গুর্জর নামে এক সুঠাম চেহারার যুবককে। বেহড়ের নিভৃতে শুরু হয়েছিল পুতলী ও কল্লার প্রেম।

প্রেমে মশগুল পুতলী বুঝতে পারেনি, চম্বল নদীর জলে, বেহড়ের আনাচে কানাচে লুকিয়ে আছে বিশ্বাসঘাতকতার বীজ। ধীরে ধীরে নিজেকে অসুরক্ষিত করে ফেলেছিল পুতলী। পুতলী ও কল্লার প্রেম মেনে নিতে পারেনি দলের অনেক সদস্য।

২৩ জানুয়ারি, ১৯৫৮। ছাতি গ্রামের অদূরে ছিল পুতলীর গ্যাং ( মতান্তরে শিবপুরীর জঙ্গল)। কেউ বলে লাখন সিংয়ের গ্যাংকে এনকাউন্টার করতে গিয়ে পুতলীর গ্যাংয়ের সামনে গিয়ে পড়ে পুলিশ। কেউ বলে পুতলীর গ্যাংয়ের কেউ জানিয়ে দিয়েছিল পুতলীর ডেরা। সেদিন চম্বলের বেহড় দেখেছিল এক রুদ্ধশ্বাস লড়াই।

চম্বল নদী আশ্রয় দিয়েছিল পুতলীকে

মুহুর্মুহু গুলির আওয়াজে কাঁপছিল চম্বলের বেহড়। রাতভোর চলেছিল গুলির লড়াই। পুতলী বুঝতে পেরেছিল তার দলের বন্দুকগুলি ক্রমশ শান্ত হয়ে যাচ্ছে। সেদিন নিদারুণভাবে প্রতারিত হয়েছিল পুতলী। চম্বলের বেহড় এক নারীর দখলে থাকবে, হয়তো মেনে নিতে পারেনি বেহড়ের পৌরুষ।

ছাতি গ্রামের কিছু দূর দিয়ে বয়ে চলেছিল চম্বল নদী। কুমীর ভর্তি নদী একহাতে সাঁতরে পার হতে চেয়েছিল পুতলীবাঈ। সঙ্গে ছিল প্রেমিক কল্লা। আর মাত্র কয়েক ফুট, তারপরে পুতলী চলে যেত পুলিশের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। কিন্তু বাতাসে শীষ কাটতে কাটতে উড়ে এসেছিল বুলেট। একটার পর একটা। পুলিশের নাকি নিজের দলের বিশ্বাসঘাতকদের বুলেট, তা বুঝতে পারেনি পুতলী।


ডাঙায় আর উঠতে পারেনি। চম্বল নদীর রুক্ষ তীরে পিঠ ঠেকিয়ে ৩২ বছরের পুতলী শেষ করেছিল তার অভিশপ্ত জীবন। মৃত্যুর সময় চোখটা খোলাই ছিল। হয়তো সে দেখতে চেয়েছিল বিশ্বাসঘাতকদের, হয়তো তার মেয়ে তান্নোকে। কিন্তু সুযোগ কাউকে দ্বিতীয়বার দেয় না চম্বল। দেয়নি দস্যুরানি হয়ে ওঠা গহরবানুকেও।

--------------------------

Tuesday, July 13, 2021

17>|| তুলসীদাসজীর জীবনী ও হনুমান চাল্লিশা |

 

17>|| তুলসীদাসজীর জীবনী ও হনুমান চাল্লিশা  ||

         হিন্দি ও বাংলা।

|| हनुमान चालीसा की कहानी  ||

                   <--अद्यनाथ-->

1600 ईसबी की अकबर और तुलसीदास जी की  एक स्तय कहानी ।

कहानी इस प्रोकर--

 एक बार तुलसीदास जी मथुरा जा रहे थे। रस्था में रात होने से पहले उन्होंने अपना पडाव आगरा में डाला।

ऐ समाचार चारो और फेला, लोगो को पता लगा की तुलसी दास जी आगरा में पधारे है। 


यह सुन कर उनके दर्शनों के लिए लोगो का ताँता लग गया। थोड़ेही देर में  यह बात जब बादशाह अकबर को पता लगी तो उन्होंने वीरबल से  तुलसीदास के बारे पुंछा की यह तुलसीदास कौन हैं.....?


 वीरबल ने बताया, इन्होंने तुलसीदास जी।

इन्होंने ही रामचरितमानस का अनुवाद किया है यह रामभक्त तुलसीदास जी है।

"में भी इनके दर्शन करके आया हूँ।"


इतना सुनकर सम्राट अकबर ने भी उनके दर्शन की इच्छा व्यक्त की और कहा "में भी उनके दर्शन करना चाहता हूँ।"

अतः बादशाह अकबर ने अपने सिपाहि को तुलसीदास जी के पास भेजा। और सिपाहि,  तुलसीदास जी को बादशाह का पैगाम सुनाया, की "आप लाल किले में हाजिर हों।" यह पैगाम सुन कर तुलसीदास जी ने कहा की "मैं भगवान श्रीराम का भक्त हूँ, मुझे बादशाह और लाल किले से मुझे क्या लेना देना," 

और लाल किले जाने की साफ मना कर दिया। जब यह बात बादशाह अकबर को पता चला  तो  अकबर की बहुत बुरी लगी और बादशाह अकबर गुस्से में आग बबूला हो गई ,

और उन्होंने तुलसीदास जी को पकड़ कर

 लाल किला लाने का आदेश दिया। 


जब तुलसीदास जी लाल किला पहुंचे तो अकबर ने कहा की "आप कोई करिश्माई व्यक्ति लगते हो, कोई करिश्मा करके दिखाओ।" तुलसी दास ने कहा " मैं तो सिर्फ भगवान श्रीराम जी का भक्त हूँ कोई जादूगर नही हूँ जो आपको कोई करिश्मा दिखा सकूँ।" अकबर यह सुन कर और भी गुस्से में आदेश दिया की" इनको जंजीरों से जकड़ कर काल कोठरी में डाल दिया जाये।"


दूसरे दिन सबेरे  आगरा के लाल किले पर लाखो बंदरो, हनुमान ने एक साथ हमला बोल दिया पूरा किला तहस नहस कर डाला। लाल किले में त्राहि त्राहि मच गई।

 तब अकबर ने वीरबल को बुला कर पूंछा की "वीरबल यह क्या हो रहा है....?"

वीरबल ने कहा

 "हुज़ूर आप करिश्मा देखना चाहते थे तो देखिये। एहि एक करिश्मा।"


अकबर ने तुरंत तुलसी दास जी को कल कोठरी से निकल कर उनकी जंजीरे खोल दी ।

तब तुलसीदास जी ने वीरबल से कहा---

 "मुझे बिना अपराध के सजा मिली है। मैने काल कोठरी में भगवान श्रीराम और हनुमान जी का स्मरण किया में रोता जा रहा था। और मेरे हाथ अपने आप कुछ लिख रहे थे यह 40 चौपाई, हनुमान जी की प्रेरणा से लिखी गई इस चौपाई

जो भी व्यक्ति कष्ट में या संकट में  होगा और इसका पाठ करेगा ,उसके कष्ट और सारे संकट दूर होंगे। इसको हनुमान चालीसा के नाम से जाना जायेगा।"

अब अकबर बहुत लज्जित हुए और तुलसीदास जी से माफ़ी मांगी, और पूरी इज़्ज़त और पूरी हिफाजत और लाव लश्कर के साथ  तुलसीदास जी को मथुरा भिजवाया।


आज लोग हनुमान चालीसा का पाठ करते हैं। और सभी पर हनुमान जी की कृपा बर्षते हैं।

 और सभी के संकट दूर हो रहे है। हनुमान जी को इसीलिए "संकट मोचन" भी कहा जाता है।

।। जय श्री राम, जय श्री हनुमान ।।


<--©--➽-ए एन राय चौधुरी-->


========================

  || হনুমান চালিশার কাহিনী ||


সম্রাট আকবর এবং তুলসীদাস।


আজ অনেকেই রোজ নিয়ম করে 

হনুমান চালিশা পাঠ করেন।

কিছু মানুষ বিপদে পড়লেই হনুমান চালিশা পাঠ করেন এবং হনুমানজীর সরনাপন্ন হন।

আমরা এও জানি যে এই হনুমান চালিশার রচয়িতা গোস্বামী তুলসীদাসজী।

কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তুলসীদাসজী এই হনুমান চালিশা রচনা করেছিল সেই সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করে কিছু বই খুঁজে, কিছু ইন্টারনেট খুঁজে যেটুকু জেনেছি ::------

গোস্বামী তুলসীদাস জী এই রচনা হয়েছিল ষোড়শ শতকে মুঘল সম্রাট আকবরের সময়কালে সম্ভবত 1582 সালে। তবে হনুমান চালিশা রচনার সময়কাল নিয়ে পন্ডিতদের মধ্যে নানান মত বিরোধ রয়েছে। 

কেউ কেউ মনে করেন যে হনুমান চালিশা অনেক পরে রচনা করা হয়েছিল। 

আবার কেউ মনে করেন যে তুলসীদাসজী শৈশবেই এটি রচনা করেছিলেন।

তবে বেশির ভাগ পণ্ডিতগণের

মত হল হনুমান চালিশা তুলসীদাসজী রচনা করেন আঠার শতকের আটের দশকে।

মূল হনুমান চালিশা  রচিত হয়েছিল অবধি ভাষায়। অবধি হল হিন্দি ভাষার একটি রুপ। 

এটি তুলসীদাস রচিত রামচরিতমানসের একটি অংশ বিশেষ। 

এখানে  তুলসীদাসজীর একটু পরিচিতি

জানা উচিত বলে মনে করি। 

তুলসীদাসজীর জন্ম হয় প্রয়াগের কাছে চিত্রকূট জেলার রাজপুর গ্রামে। তার জন্ম সাল নিয়ে পন্ডিতদের মধ্যে যথেষ্ট মতোবিরোধ রয়েছে। তবে বাল্মিকী সম্বত অনুযায়ী তার জন্ম 1554সালে।

পিতা আত্মারাম দুবে ও মাতা হুলসির ঘরে 12 মাস মাতৃ গর্ভে থাকার পর জন্ম নেয় 32 টি দাঁত যুক্ত সাড়ে পাঁচ বছরের বালকের মত আকৃতি যুক্ত এক নবজাতক। সন্তানের অমঙ্গলের কথা ভেবে মা হুলসী তার পিতার বাড়ির এক দাসী চুনিয়ার কাছে ছেলেকে গচ্ছিত রাখেন। কিছু দিন পরে চুনিয়াও মারা যায় ও বালক অনাথ হয়ে যায়। এরপরে অনাথ খুব দুঃখ কষ্টের মধ্যে ভিক্ষে করে দিন কাটায়।

এরপরে অনন্তনন্দজীর শিষ্য শ্রীনরহরি আনন্দজী এই বালকে খুঁজে পান এবং অযোধ্যা নিয়ে আসেন এবং নাম রাখেন রামবোলা। সেই অযোধ্যাতেই তিনি রাম মন্ত্রে দীক্ষা নেন এবং বিদ্যা অধ্যয়ন করেন। সেখান থেকে কাশী চলে যান এবং দীর্ঘ 15 বছর বেদ বেদাঙ্গ অধ্যয়ন করেন। তারপর আবার ফিরে আসেন জন্ম ভূমিতে।

সম্ভবত 1583 সালে বিবাহ হয় রত্নাবলীর সঙ্গে। একদিন রত্নাবলী তার পিতৃ গৃহে গেলে তুলসীদাসজীও পেছন পেছন তার শ্বশুর বাড়ি চলে যান। সেই সময় তার স্ত্রী তাকে তীব্র ভৎসনা করে বলেন আমার মত রক্ত মাংসের শরীরের মোহ ছেড়ে রঘুবীরের নামে জীবনকে সপে দাও। জীবন তোমার মুক্ত হবে। এই কথা শোনা মাত্র তুলসীদাসজীর অন্তরে সম্বিত ফিরে আসে এবং তখনই সাংসারিক জীবন ত্যাগ করে প্রয়াগে চলে আসেন এবং শ্রীরামের নামে জীবন সপে দেনা।

অযোধ্যাতে তিনি দেখা পান হনুমানজীর এবং তিনি শ্রীরঘুনাথের দর্শন পাওয়ার ইছা প্রকাশ করেন। হনুমানজী বলেন শ্রীরামের দর্শন পেতে গেলে চিত্রকূট যেতে হবে। তিনি সেখানে গেলেও শ্রীরামজীকে তিনি চিনতে পারেন নি। পরবর্তীতে শ্রীরাম এক শিশুর বেশে এলে হনুমানজীর ইশারায় তুলসীদাসজী শ্রীরামের দর্শন পান।

তুলসীদাসজী দেহত্যাগ করেন 1623 সালে শ্রাবন মাসে গঙ্গার অসী ঘাটে। কথিত আছে তিনি 126 বছর জীবিত ছিলেন।

রামচরিত মানস  তুলসীদাসজীর এক অমর কীর্তি যাকে তুলসীদাসী রামায়ন বলা হয়। গোটা রামচরিত মানস তিনি শেষ করেন 2 বছর 7 মাস 26 দিনে। এছাড়া তিনি তুলসীদাসী দোহাবলী, কবিতাবলী, গীতাবলী,কৃষ্ণাবলী এবং বিনয় পত্রিকা রচনা করেন। বারানসীর সঙ্কট মোচন হনুমান মন্দিরও তারই সৃষ্টি।

হনুমান চালিশা রচনার ইতিহাস : 

ভারতে তখন মুঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকাল। ততদিনে তুলসীদাসজী এক সিদ্ধ পুরুষ হয়ে উঠেছেন। একবার তিনি এক গাছের নীচে বসে ধ্যান করছিলেন। এক মহিলা এসে তাকে প্রণাম করেন। তুলসীদাসজী তাকে সুখী হবার আশীর্বাদ করেন। আশীর্বাদ পেয়ে মহিলা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তিনি মহিলাকে কান্নার কারন জিজ্ঞেস করাতে মহিলা বলেন এই মাত্র তার স্বামী মারা গেছেন। তুলসীদাসজী বিন্দুমাত্র বিচলিত না হয়ে রাম নাম নেবার পরামর্শ দেন। মহিলা বাড়ি গিয়ে রাম নাম শুরু করেন সঙ্গে উপস্থিত সকলেই রাম নাম করতে থাকেন। কিছুক্ষন পরেই মৃত ব্যক্তি জীবিত হয়ে ওঠেন। এই রকম তিনি এর আগেও এক দৃষ্টি হীন ব্যক্তিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে দেন। তার কীর্তি দাবানলের মত চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

এই খবর সম্রাট আকবরের কান পর্যন্ত পৌছায়। আকবর বীরবল ও টোডরমলকে পাঠায় খবরের সত্যতা যাঁচাইয়ের জন্য। তারা খবর নিয়ে এসে সম্রাটকে বলেন যে ঘটনা সত্য। আকবর তুলসীদাসজীকে রাজ সভায় ডেকে পাঠান এবং কিছু চমৎকার দেখাতে বলেন। তুলসীদাসজী সেটা  করতে অস্বীকার করে বলেন "আমি কোন চমৎকারী বাবা নই যে চমৎকার দেখাব। চমৎকার দেখানেওয়ালাতো স্বয়ং শ্রীরাম। আমি নই।"

এই কথা শুনে সম্রাট আকবর প্রচণ্ড ক্রোধিত হয়ে তুলসীদাসজীকে আটক করবার নির্দেশ দেন এবং সেপাইরা তাকে ফতেপুরসিক্রিতে আটক করে রাখেন। তুলসীদাসজী বিন্দু মাত্র বিচলিত না হয়ে শ্রী হনুমান চালিশার রচনা শুরু করেন। হনুমান চালিশার রচনা যখন প্রায় শেষ তখন ফতেপুরসিক্রি সমেত গোটা রাজধানীতে কয়েক লক্ষ বানর হামলা করেন। বানরের অত্যাচারে সম্রাট সহ রাজধানীর সকল নাগরিক অতিষ্ট হয়ে ওঠে। বিচক্ষন সম্রাট আকবরের নিজের ভুল বুঝতে সময় লাগে নি। তিনি দ্রুত তুলসীদাসজীকে কয়েদ থেকে মুক্ত করেন এবং তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তুলসীদাসজী মুক্ত হতেই বানরের উপদ্রব বন্ধ হয়ে যায়। সম্রাট আকবর আমৃত্যু তুলসীদাসের সঙ্গে মিত্রতার সম্পর্ক রেখেছিলেন।

হনুমান চালিশার উদ্দেশ্য : 

বলা হয় হনুমান চালিসা পাঠ করলে সমস্ত সঙ্কট দূর হয়ে যায়। এই হনুমান চালিশায় হনুমানজীর ক্ষমতার গুণকীর্তন করা হয়। এরও কারন রয়েছে। হনুমানজী ছোট বেলায় ধ্যান মগ্ন মুণি ঋষিদের খুব বিরক্ত করতেন। তাই তাকে মুণি ঋষিরা অভিশাপ দিয়ে ছিলেন যে তার ক্ষমতা বা শক্তি সম্পর্কে তিনি ভুলে যাবেন। অন্য কেও তাকে তার ক্ষমতা না মনে করিয়ে দিলে তিনি তা প্রয়োগ করতে ভুলে যাবেন। তাই হনুমান চালিশার অধিকাংশ চৌপাইতে তার ক্ষমতার কথা উল্লেখ রয়েছে।

        " সংগ্রহ"

<--©➽-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================


Friday, June 15, 2018

16> কৌরব দের 100 জনের নাম---

 16>1100 জন কৌরবের নাম---

100 জন কৌরবের নাম--- কয়জন জানি?? দুষ্ট হলেও তাদের নাম গুলো জানার- ইচ্ছা আমাদের অনেকের ।

কৌরবদের একটি বোন ছিল যার নাম---
------- দু:শলা ।
আর 100 ভাই এর নাম-------
1) দুর্যোধন---------2) দু:শাশন।
3) দু:সহন----------4) দু:শলন।
5) জলগন্ধ---------6) সমন।
7) সহন-------------8) বিনন্ধন।
9) অনুবিন্ধ--------10) দুর্ধর্ষ।
11) সুবাহু---------12) দু:শপ্রধরশা।
13) দুর্মরশ--------14) দু:মুখা।
15) দু:শকর্ণ-------16) বিকর্ণ।
17) সলন।---------18) সাথয়া।
19) সুলচন।---–----20) ছিথ্র।
21) উপছিথ্র।-------22) ছিথ্রাক্ষ।
23) চারুছিথ্র।-------24) সরাসনা।
25) দুর্মদ।-----------26) দুরবিজ্ঞ।
27) বিবিলসু।-------28) বিকাতিনন্দ।
29) ওরনানভ।------30) সুনাভ।
31) নন্দ।------------32) উপানন্দ।
33) ছিত্রবান।--------34) ছিত্রবর্মা।
35) সুবর্মা।-----------36) দুর্বিমোচা।
37) অয়বাহু।---------38) মহাবাহু।
39) কান্চনধ্বজা।----40) ছিত্রামগ।
41) ছিত্রকুন্ডল।--–---42) ভীমবেগ।
43) ভীমবালা।------- 44) কুন্ধাসী।
45) বালকি।----------46) বেলাবর্ধনা।
47) উগ্রযুধ।----------48) সুসেনা।
49) বীরাযশ।---–------59) কুন্ধধারা।
51) মাহোদরা।--------52) ছিত্রযুধা।
53) নিশামগি।---------54) পাসি।
55) বৃন্দারকা।---------56) দৃধাবর্মা।
57) দৃধাক্ষত্রা।---------58) সমাকীর্তি।
59) অন্তুদরন।---------60) দৃধাসন্ধা।
61) জরাসন্ধা।---------62) সত্যসন্ধা।
63) সদাসুবাক।--------64) উগ্রসর্বাস।
65) উগ্রসেনা।----------66) সেনানী।
66) দু:শপ্রাজা।--------68) অপরাজিত।
69) কুন্ধাসাই।---–------70) বিশালাক্ষ।
71) দুর্ধরা।----–-----------72) দৃধাহস্তা।
73) সুহস্তা।--------------74) বাতাবেগা।
75) সুবার্চা।--------------76) আদিত্যকেতু।
77) যুযুত্সু।-------––---78) বাহায়াসী।
79) নাগদাতা।----------80) উগ্রসাই।
81) কাবাচি।------------82) ক্রাধান।
83) কুনদ্ধাই।------------84) ভীমাবিক্র।
85) ধনুধারা।-----–-------86) বীরবাহু।
87) অলৌপন।--------–-88) অভয়ান।
89) দৃধাকর্মাবু।--–--------90) দৃধারথশ্রয়।
91) অনাধ্রুস্য।-----------92) কুন্ধভেডী।
93) বীরাভি।--------------94) চিত্রকুন্ধালা।
95) প্রেমাধন।--–-----------96) অমাপ্রমাধি।
97) দিরখারমা।-----------98) সুবীরয়বা।
99) ধীর্খবাহু।--------------100) সুজাত।

==≠========================

Sunday, November 13, 2016

15>"উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত "

15>|| "উত্তিষ্ঠত জাগ্রত  প্রাপ্য বরান্ নিবোধত "

"উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত” : স্বামী বিবেকানন্দের বাণী


উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত।
ক্ষুরস্য ধারা নিশিতা দুরত্যয়া দুর্গম পথস্তত  কবয়ো বদন্তি ।।
কঠোপনিষৎ ৩/১৪

ওঠো,জাগো,সদগুরুর সান্নিধ্যে গিয়া
জ্ঞানপ্রাপ্ত ( আত্মজ্ঞান ) হও।

এইপথ অতিদুর্গম, ক্ষুরের ধারের মত তীক্ষ্ণ, দূরতিক্রম্য, জ্ঞানীগণ এমনি বলেন
 ( কবয়ো বদন্তি)
স্বামীজী এই শ্লোকটি পছন্দ করতেন এবং Arise awake ----বলে বার বার এটিকেই স্বরণ করিয়ে দিতেন।

সরলার্থ:---
"হে সংসার সন্তপ্ত মানবগণ, তোমরা ওঠো, আত্মজ্ঞানলাভে সর্বতোভাবে প্রযত্ন কর । জাগো, অজ্ঞানরূপ মোহনিদ্রা পরিত্যাগ কর। 
বরনীয় জ্ঞানীদের কাছে জ্ঞানপ্রাপ্ত হও,
তাঁদের সমীপে গমন পূর্বক তাঁদের উপদেশ অনুসারে স্ব স্ব জীবন গঠনপূর্বক নিশ্চিতরূপে আত্মতত্ত্ব অবগত হও॥"

মানুষ ছেলেবেলা হইতে শিক্ষা পায় যে, সে দুর্বল ও পাপী। জগৎ এইরূপ শিক্ষা দ্বারা দিন দিন দুর্বল হইতে দুর্বলতর হইয়াছে; তাহাদিগকে শিখাও যে, তাহারা সকলেই সেই অমৃতের সন্তান—এমনকি যাহাদের ভিতরে আত্মার প্রকাশ অতি ক্ষীণ, তাহাদিগকেও উহা শিখাও । বাল্যকাল হইতেই তাহাদের মস্তিষ্কে এমন সকল চিন্তা প্রবেশ করুক, যাহা তাহাদিগকে যথার্থ সাহায্য করিবে, যাহা তাহাদিগকে সবল করিবে, যাহাতে তাহাদের যথার্থ কল্যাণ হইবে। দুর্বলতা ও কর্মশক্তিলোপকারী চিন্তা যেন তাহাদের মস্তিষ্কে প্রবেশ না করে। সৎ-চিন্তার স্রোতে গা ঢালিয়া দাও, নিজের মনকে সর্বদা বল—”আমি সেই, আমিই সেই” ; তোমার মনে দিনরাত্রি ইহা সঙ্গীতের মতো বাজিতে থাকুক, আর মৃত্যুর সময়েও “সোহহং, সোহহং” বলিয়া দেহত্যাগ কর । ইহাই সত্য… জগতের অনন্ত শক্তি তোমার ভিতরে যে কুসংস্কার তোমার মনকে আবৃত রাখিয়াছে, তাহা দূর করিয়া দাও। সাহসী হও । সত্যকে জানিয়া তাহা জীবনে পরিণত কর; চরম লক্ষ্য অনেক দূর হইতে পারে, কিন্তু “উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান্ নিবোধত” ।।


কঠোপনিষদ ২০

   'উত্তিষ্ঠত জাগ্রত প্রাপ্য বরান নিবোধত
        ক্ষুরস্য ধারা নিশিতা  ...'
   স্বামী বিবেকানন্দ এই মন্ত্রটি এযুগে বিখ্যাত করেছেন। তিনি বললেন, যমদেবেরই কথা, 'ওঠো, জাগো। বরনীয় জ্ঞানীদের কাছে গিয়ে জ্ঞানপ্রাপ্ত হও। 
এই পথ অতি দুর্গম, ক্ষুরের ধারের মতো তীক্ষ্ণ, দুরতিক্রম্য। জ্ঞানী গণ এমনই বলে থাকেন।
     উপনিষদের এই মন্ত্রটির যে অনুবাদ প্রচলিত আছে, সেটির সম্পর্কে একটু আলোচনা করে নিতে হবে।
বলা হল, ওঠো এবং জাগো।
এখন প্রশ্ন হল দুট,
  ১। কোথা থেকে উঠবে ? কোথা থেকে জাগবে ? এবং
  ২। আগে উঠবে, পরে জাগবে ? তা কি হয়  ?
  আমরা বলব,
  ১। অবিদ্যাতে সম্পৃক্ত জীবাত্মা যেন মোহনিদ্রায় আছে । সেখান থেকে উঠবে । অজ্ঞান নিদ্রা থেকে জাগ্রত হবে ।
  ২। নিদ্রা ভাঙ্গলেও কতক সময় ঘোর লেগে থাকে। অনেক সময় পুনরায় নিদ্রা এসে যায়। তাই যমরাজ বলছেন, ওঠো এবং সজাগ হও। আর যেন তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ো না।
      'বরান্‌' -এই শব্দটির অর্থ নিয়েও আমাদের কিছু কথা আছে। বলা হচ্ছে 'বরনীয় জ্ঞানীদের কাছে জ্ঞানপ্রাপ্ত হও'।
   আমরা বলতে চাই, 'নর' শব্দরূপেরর মতন 'বর' শব্দটির দ্বিতীয়ার বহুবচণ হল, 'বরান্‌'। অর্থ হল, 'বর-কে'। কর্ম-কারক। বর পাওয়া যায়, বা পাওয়া হয়েছে দেবতাদের থেকে। এই যে দেবতাদের থেকে মর্ত্য-বাসী মানবকুল (মনুর প্রজাগণ) যে সকল বরদান লাভ করেছে। যেমন এই যে নচিকেতা-কে যমরাজ, 'অগ্নিবিদ্যা' এবং 'আত্মজ্ঞান'' শিক্ষা দিলেন।
   তাহলে অর্থ কি দাড়াল ?
  'ওঠো, সজাগ বা সচেতন হও। দেবতাদের থেকে যে সকল বর লাভ করা গেছে, সে গুলিতে আত্মনিয়োগ কর'।

১৫। এর পরেই যমদেব বললেন, শব্দ-গন্ধ-রূপ-রস-স্পর্শের অতীত এই অনাদি অবিনাশী নিত্য ধ্রুব পরমাত্মাকে জেনে মৃত্যুমুখ থেকে মুক্ত হও।


মহাভারত শ্লোক:::----

অহন্যহনি ভূতানি গচ্ছন্তি যমমন্দিরম্ । শেষাঃ স্থিরত্বমিচ্ছন্তি কিমাশ্চর্য্যমতঃপরম্ ।। - প্রত্যহ শতশত জীব যমালয়ে যাচ্ছে দেখেও আমরা নিজেদের মৃত্যুর কথা ভাবছি না, এটা যুধিষ্ঠির কেন, আমার কাছেও আশ্চর্যজনক । কতো বিবর্তনের মধ্য দিয়ে কতো কর্মফল পার হয়ে এই মানব জনম । অথচ ভোগ এবং আরও আরও ভোগের প্রচেষ্টা ছাড়া কিছুই তো নজরে আসছে না । আর সেই ভোগের উপাচার জোটাতে মিথ্যা, ছলনা ও অনধিকার কার্যাবলী । ক্রমাগত বেশি বেশি প্রারব্ধের সঞ্চয় । আরও বেশি করে কর্মফল ভোগের বন্দোবস্ত ।  এই করতেই কি এসেছিলাম । হে অন্তরতম প্রভূ, সঠিক কর্ম করিয়ে নাও ।
========================


-"-Uttishthata, Jaagrata,
      Praapya Varaan Nibodhata
!"

      "Arise ! Awake ! Stop Not
        Till The Goal Is Reached !"

  Here are 5 of Swami Vivekananda's most inspiring quotes, that stand true even today.

1> "Who is helping you, don't forget them. Who is loving you, don't hate them. Who is believing you,  don't cheat them."
2> "Anything that makes you weak physically, intellectually and spiritually, reject as poison."
3>"Relationships are more important than life, but it is important for those relationships to have life in them."
4>"Like me or hate me, both are in my favor. If you like me I am in your heart, if you hate me I am in your mind."
5>"Fill the brain with high thoughts, highest ideals, place them day and night before you, and out of that will come great work."

---------------------------
💗 তিনি নিম্নলিখিতভাবে বেদান্তের শিক্ষাসমূহের সারসংক্ষেপ করেন,
• প্রত্যেক আত্মাই সম্ভাব্যরুপে ঐশ্বরিক/দেবসুলভ।
• লক্ষ্য হচ্ছে বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ প্রকৃতি নিয়ন্ত্রণের দ্বারা এ দেবত্বকে সুষ্পষ্টভাবে দেখানো।
• কর্ম, বা পূজা, বা মন নিয়ন্ত্রণ, বা দর্শন - একটির দ্বারা, বা অধিকের দ্বারা, বা এ সকলগুলির দ্বারা এটি কর - এবং মুক্ত হ্‌ও।
• এটি হচ্ছে ধর্মের সমগ্রতা। মতবাদ, বা গোঁড়া মতবাদ, বা ধর্মীয় আচার, বা গ্রন্থ, বা মন্দির, বা মূর্তি হচ্ছে গৌণ খুঁটিনাটি বিষয় ছাড়া কিছুই নয়।
• যতক্ষণ পর্যন্ত আমার দেশের একটি কুকুরও ক্ষুধার্ত, আমার সমগ্র ধর্মকে একে খাওয়াতে হবে এবং এর সেবা করতে হবে, তা না করে অন্য যাই করা হোক না কেন তার সবই অধার্মিক।
• জেগে ওঠো, সচেতন হও এবং লক্ষ্যে না পৌঁছা পর্যন্ত থেমো না।
• শিক্ষা হচ্ছে মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে থাকা উৎকর্ষের প্রকাশ।
• ধর্ম হচ্ছে মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে থাকা দেবত্বের প্রকাশ।
• মানুষের সেবা করা হচ্ছে ঈশ্বরের সেবা করা।

🌹💗  ALL POWER IS WITHIN YOU,
         YOU CAN DO ANYTHING AND EVERYTHING,

🌹💗   Nothing is IMPOSSIBLE
            every thing is POSSIBLE
           If the WAY OF DOING IS CORRECT"


💗🌹" Personal Morality Is The Key To Influence Others!" 🌹💗

💗🌹💗 "চরিত্রই বাধাবিঘ্নরূপ বজ্রদৃঢ় প্রাচীরের মধ্য দিয়া পথ করিয়া লইতে পারে।"💗🌹💗
ভালবাসায় সব হয়। টাকা পয়সা, নাম যশ, বিদ্যা, কোনটাতেই কিছু হায়না,

ভালবাসায় সব হয়।
আবশ্যক কেবল প্রেম, সরলতা, ও সহিষ্ণুতা, ভালবাসায় সব হয়, প্রেমই জীবন।
-----------------------

                   💗🌹💗---Swami Vivekananda---💗🌹💗
===================================




‘उत्तिष्ठत जाग्रत …’ – कठोपनिषद् का उपदेशात्मक वचन
स्वामी विवेकानंद के उपदेशात्मक वचनों में एक सूत्रवाक्य विख्यात है । वे कहते थे:
“उत्तिष्ठत जाग्रत प्राप्य वरान्निबोधत ।”

इस वचन के माध्यम से उन्होंने छात्र समाज को अज्ञानजन्य अंधकार से बाहर निकलकर ज्ञानार्जन की प्रेरणा दी थी । कदाचित् अंधकार से उनका तात्पर्य अंधविश्वासों, विकृत रूढ़ियों, अशिक्षा एवं अकर्मण्यता की अवस्था से था । वे चाहते थे कि अपने देशवासी समाज के समक्ष उपस्थित विभिन्न समस्याओं के प्रति सचेत हों और उनके निराकरण का मार्ग खोजें । स्वामीजी इस कथन के महत्त्व को कदाचित् ऐहिक जीवन के संदर्भ देखते थे ।


   कठोपनिषद्-------
उत्तिष्ठत जाग्रत प्राप्य वरान्निबोधत ।
क्षुरस्य धारा निशिता दुरत्यया दुर्गं पथस्तत्कवयो वदन्ति ।।-----कठोपनिषद्, 
(उत्तिष्ठत, जाग्रत, वरान् प्राप्य निबोधत । क्षुरस्य निशिता धारा (यथा) दुरत्यया (तथा एव आत्मज्ञानस्य) तत् पथः दुर्गं (इति) कवयः वदन्ति ।)
                 


 अर्थ ::-- उठो, जागो, और जानकार श्रेष्ठ पुरुषों के सान्निध्य में ज्ञान प्राप्त करो । विद्वान् मनीषी जनों का कहना है कि ज्ञान प्राप्ति का मार्ग उसी प्रकार दुर्गम है जिस प्रकार छुरे के पैना किये गये धार पर चलना ।

कठोपनिषद् में गौतम ऋषि के पुत्र नचिकेता का मृत्युदेवता यम के साथ संवाद का 
विवरण है।
 नचिकेता को यम सृष्टि के अंतिम सत्य परमात्मतत्त्व के बारे में बताते हैं । 
उक्त मंत्र में यम द्वारा ऋषिकुमार को परमात्मा के अंशभूत आत्मा का ज्ञान पाने का उपदेश निहित है । स्पष्ट है कि प्रकरण आध्यात्मिक ज्ञानार्जन से संबंधित है न कि भौतिक स्तर के ऐहिक अर्थात् लौकिक विद्यार्जन से । किंतु स्वामी विवेकानंद ने मंत्र के आरंभिक अंश को लौकिक अर्थ में प्रयोग किया है । वस्तुतः उपनिषदों में लौकिक उपयोग की सामान्य विद्या को महत्त्व न दिया गया हो ऐसा नहीं है । इस बात पर चर्चा फिर कभी ।

वैदिक चिंतकों की दृष्टि में मनुष्य देह भौतिक तत्त्वों से बना है, परंतु उसमें निहित चेतना शक्ति का स्रोत आत्मा है । आधुनिक वैज्ञानिक चिंतन आत्मा के अस्तित्व के बारे में सुनिश्चित धारणा नहीं बना सका है । कदाचित् कई विज्ञानी कहेंगे कि आत्मा-परमात्मा जैसी कोई चीज होती ही नहीं है । तत्संबंधित सत्य वास्तव में क्या है यह रहस्यमय है, अज्ञात है । –
========================









Tuesday, June 14, 2016

14>চাণক্য =CHANAKYA==.>( 1 to 9 )

MY COLLECTIONS
14>Myc==14=====চাণক্য =CHANAKYA=======.>( 1 to 9 )
Chanakya 

1>11 Times Chanakya Proved He Was Better At Office Politics Than You Will Ever Be
2>आचार्य चाणक्य=भारत की प्रगति
3>चाणक्‍य की नीति:--
4> चाण्क्य उवाच
5>आचार्य चाणक्य के 15 अमर वाक्य – संस्कृति।
6>चाणक्य की चुनौती: चार बातें आप किसी को नही सीखा सकते

7>महारानी लक्ष्मीबाई इतिहास*
8>आचार्य चाणक्य के 15 सूक्ति वाक्य ----
9> মহান কূটনীতিবিদ আচার্য্য চাণক্যের কিছু
     অমর শুক্তি বাক্য :-


============================================================


1>11 Times Chanakya Proved He Was Better At Office Politics Than You Will Ever Be

Chanakya was one shrewd advisor, whose pearls of wisdom are relevant even today. Here are 11 precious lines from the Arthashastra, of which he was the author, that will help you excel in your work life.

#1 A PERSON SHOULD NOT BE TOO HONEST. STRAIGHT TREES ARE CUT FIRST

      AND HONEST PEOPLE ARE SCREWED FIRST.
This is the reason people who follow the ‘yes boss’ route are smart. Instead of being honest and axing on your own foot, try being diplomatic. Only because true opinions are painful and people don’t want to hear them. Being too honest and direct makes you come across as a rude person who doesn’t value feelings. On the contrary, being diplomatic doesn’t hurt anybody and you can easily get things done.

#2 BEFORE YOU START SOME WORK ,ALWAYS ASK YOURSELF THREE QUESTIONS-
    WHY AM I DOING IT, WHAT THE RESULTS MIGHT BE AND WILL BE SUCCESSFUL.
    ONLY WHEN YOU THINK DEEPLY AND FIND SATISFACTORY ANSWERS S TO THESE       QUESTIONS,GO AHEAD,

Sounds like a foolproof plan to save your time from getting wasted, right? A smart worker will only do things that will yield results. They won’t do donkey’s work and, instead, will save their time by being productive at what they do.

#3 ONCE YOU START WORKING ON SOMETHING, DON'T BE AFRAID OF FAILURE AND
     DIN'T ABANDON IT. PEOPLE WHO WORK SINCERELY ARE THE HAPPIEST.

The sleep that you get after a hard day’s work is the most peaceful sleep. Hard work might or might not pay, but the satisfaction of working hard is the best feeling to experience. Proving your worth by sincere hard work makes you a valued employee who is important to the organisation.

#4 THE BIGGEST GURU-MANTRA IS ; NEVER SHARE YOUR SECRETS WITH ANYBODY.
     IT WILL DESTROY YOU.

This applies if you have a BFF at your workplace. Remember, it’s a workplace and not your college where you have selfless friendship with your colleagues. Watch out for how much you reveal about your personal life at work. Imagine what would happen if your secrets get passed on and you get stabbed in the back by your work BFF? Exactly. So avoid it and do what you need to to maintain a healthy balance between work and personal life by keeping your secrets to yourself.

#5 THERE IS SOME SELF-INTEREST BEHIND EVERY FRIENDSHIP. THERE IS NO
FRIENDSHIP WITHOUT SELF INTERESTS. THIS IS A BITTER TRUTH.

This lesson not only applies to work life, but to life in general. We try to be friends with someone because we ‘want’ to share our interests with them, we ‘want’ to be in their group, we ‘want’ to make them like us. There is always a motive behind friendship because we are needy. Choose your company wisely.

#6 THERE ARE THREE GEMS UPON THIS EARTH, ; FOOD, WATER, AND PLEASING
     WORDS -FOOLS ( MUD HAS ) CONSIDER PIECES OF ROCKS AS GEMS.

Apart from roti, kapda aur makaan, ‘pleasing words’ are also a basic necessity. At first, if you can’t solve a problem by a stern instruction, try being soft. Chances are your work might get done easily. If not, you will have to twist someone around that little finger.

#7 AS SOON AS THE FEAR APPROACHES NEAR, ATTACK AND DESTROY IT.

Do you get scared and nervous while giving a presentation in front of a tough audience? Or do you fumble while pitching your ideas to your boss and your team? Well, if that’s the case then this point is for you. Fear is your fierce enemy. It’s standing in between of you and the goal you’ve been dreaming of. If you muster up some courage, give it your best and go the ‘que sera sera’ route, then you will overcome fear and show it the exit door.

#8 TILL THE TIME YOU DON'T DECIDE TO RUN , YOU ARE NOT IN THE COMPETITION.

A no-brainer here. If the competition is tough, then you’ve got to be tougher. You’ve got to be one step ahead of your competition. That’s how it is when it comes to winning the corporate race and climbing the corporate ladder.

#9 EVEN IF SNAKE IS NOT POISONOUS, IT SHOULD PRETEND TO BE VENOMOUS.

Otherwise society will take undue advantage of you. Being intimidating helps because people won’t run over you. If you come across as an over-friendly, people pleaser, then you’re sending out a wrong message.

#10 IF YOU WANT TO CAST A SPELL ON AN INTELLIGENT PERSON THEN TELL HIM THE TRUTH.

They are going to find out the truth anyway, so you better not fool around in front of a bright person. For instance, if you’re at an interview and a highly qualified person is asking you questions, avoid bluffing. Chances are that you might get caught and make a fool of yourself.

#11 LEARN FROM THE MISTAKES OF OTHERS----YOU CAN'T LIVE LONG ENOUGH TO
MAKE THEM ALL YOURSELVES.//

The most important of them all – learn from the mistakes of others. It’s a great opportunity to learn from someone else’s failure. You have to see to it that it’s someone else is making a mistake and not you. Learning from someone else's mistakes will help you climb up a step of the progress ladder to reach the top.
===========================================================
2>आचार्य चाणक्य=भारत की प्रगति

घटना उन दिनों की है जब भारत पर चंद्रगुप्त मौर्य का शासन था और आचार्य चाणक्य यहाँ के महामंत्री थे और चन्द्रगुप्त के गुरु भी थे उन्हीं के बदौलत चन्द्रगुप्त ने भारत की सत्ता हासिल की थी !! चाणक्य अपनी योग्यता और कर्तव्यपालन के लिए देश विदेश मे प्रसिद्ध थे !! उन दिनों एक चीनी यात्री भारत आया यहाँ घूमता फिरता जब वह पाटलीपुत्र पहुंचा तो उसकी इच्छा चाणक्य से मिलने की हुई !! उनसे मिले बिना उसे अपनी भारत यात्रा अधूरी महसूस हुई !! पाटलिपुत्र उन दिनों मौर्य वंश की राजधानी थी !! वहीं चाण क्य और सम्राट चन्द्रगुप्त मौर्य भी रहते थे लेकिन उनके रहने का पता उस यात्री को नहीं था !! लिहाजा पाटलिपुत्र मे सुबह घूमता-फिरता वह गंगा किनारे पहुँचा !! यहाँ उसने एक वृद्ध को देखा जो स्नान करके अब अपनी धोती धो रहा था !! वह साँवले रंग का साधारण व्यक्ति लग रहा था -

लेकिन उसके चहरे पर गंभीर थी उसके लौटने की प्रतीक्षा मे यात्री एक तरफ खड़ा हो गया !! वृद्ध ने धोती धो कर अपने घड़े मे पनी भरा और वहाँ से चल दिया !! जैसे ही यह यात्री के नजदीक पहुंचा यात्री ने आगे बढ़कर भारतीय शैली मे हाथ जोड़ कर प्रणाम किया और बोला – “महाशय मैं चीन का निवासी हूँ भारत मे काफी घूमा हूँ यहाँ के महामंत्री आचार्य चाणक्य के दर्शन करना चाहता हूँ !! क्या आप मुझे उनसे मिलने का पता बता पाएंगे ??” वृद्ध ने यात्री का प्रणाम स्वीकार किया और आशीर्वाद दिया !! फिर उस पर एक नज़र डालते हुये बोला -“अतिथि की सहायता करके मुझे प्रसन्नता होगी आप कृपया मेरे साथ चले !!” फिर आगे-आगे वह वृद्ध और पीछे-पीछे वह यात्री चल दिये !! वह रास्ता नगर की ओर न जा कर जंगल की ओर जा रहा था !! यात्री को आशंका हुई की वह वृद्ध उसे किसी गलत स्थान पर तो नहीं ले जा रहा है !! फिर भी उस वृद्ध की नाराजगी के डर से कुछ कह नहीं पाया !! वृद्ध के चहरे पर गंभीरता और तेज़ था जिससे की चीनी यात्री उसके सामने खुद को बहुत छोटा महसूस कर रहा था !! उसे इस बात की भली भांति जानकारी थी की भारत मे अतिथियों के साथ अच्छा व्यवहार किया जाता है और सम्पूर्ण भारत मे चाणक्य और सम्राट चन्द्रगुप्त का इतना दबदबा था की कोई अपराध करने की हिम्मत नहीं कर सकता था !! इसलिए वह अपनी सुरक्षा की प्रति निश्चिंत था !! वह यही सोच रहा था की चाणक्य के निवास स्थान मे पहुँचने के लिए ये छोटा मार्ग होगा !! वृद्ध लंबे- लंबे डग भरते हुये काफी तेजी से चल रहा था !! चीनी यात्री को उसके साथ चलने मे काफी दिक्कत हो रही थी !! नतीजन वह पिछड़ने लगा !! वृद्ध को उस यात्री की परेशानी समझ गयी व धीरे- धीरे चलने लगा !! अब चीनी यात्री आराम से उसके साथ चलने लगा !! रास्ता भर वे खामोसी से आगे बढ़ते रहे !! थोड़ी देर बाद वृद्ध एक आश्रम से निकट पहुंचा जहां चारों ओर शांति थी तरह- तरह के फूल पत्तियों से से आश्रम घिरा हुआ था !! वृद्ध वहाँ पहुंच कर रुका और यात्री को वहीं थोड़ी देर प्रतीक्षा करने के लिए कह कर आश्रम मे चला गया !! यात्री सोचने लगा की वह वृद्ध शायद इसी आश्रम मे रहता होगा और अब पानी का घड़ा और भीगे वस्त्र रख कर कहीं आगे चलेगा !! कुछ क्षण बाद यात्री से सुना – “महामंत्री चाणक्य अपने अतिथि का स्वागत करते है !! पधारिए महाशय !!” यात्री ने नज़रे उठाई और देखता रह गया वही वृद्ध आश्रम के द्वार पर खड़ा उसका स्वागत कर रहा था !! उसके मुंह से आश्चर्य से निकाल पड़ा “आप ??” “हाँ महाशय !!” वृद्ध बोला “मैं ही महामंत्री चाणक्य हूँ और यही मेरा निवास स्थान है !! आप निश्चिंत होकर आश्रम मे पधारे !!” यात्री ने आश्रम मे प्रवेश किया लेकिन उसके मन में यह आशंका बनी रही कि कहीं उसे मूर्ख तो नही बनाया जा रहा है !! वह इस बात पर यकीन ही नहीं कर पा रहा था कि एक महामंत्री इतनी सादगी का जीवन व्यतीत करता है !! नदी पर अकेले ही पैदल स्नान के लिए जाना !! वहाँ से स्वयं ही अपने वस्त्र धोना, घड़ा भर कर लाना और बस्ती से दूर आश्रम मे रहना, यह सब चाणक्य जैसे विश्वप्रसिद्ध व्यक्ति कि ही दिनचर्या है !! उस ने आश्रम मे इधर उधर देखा !! साधारण किस्म का समान था !! एक कोने मे उपलों का ढेर लगा हुआ था !! वस्त्र सुखाने के लिए बांस टंगा हुआ था !! दूसरी तरफ मसाला पीसने के लिए सील बट्टा रखा हुआ था !! कहीं कोई राजसी ठाट-बाट नहीं था !! चाणक्य ने यात्री को अपनी कुटियाँ मे ले जाकर आदर सहित आसान पर बैठाया और स्वयं उसके सामने दूसरे आसान पर बैठ गए !! यात्री के चेहरे पर बिखरे हुए भाव समझते हुये चाणक्य बोले – “महाशय, शायद आप विश्वास नहीं कर पा रहे है कि, इस विशाल राज्य का महामंत्री मैं ही हूँ तथा यह आश्रम ही महामंत्री का मूल निवास स्थान है !! विश्वास कीजिये ये दोनों ही बातें सच है !! शायद आप भूल रहे है कि आप भारत मे है जहां कर्तव्यपालन को महत्व दिया जा रहा है, ऊपरी आडंबर को नहीं !! यदि आपको राजशी ठाट-बाट देखना है तो आप सम्राट के निवास स्थान पर पधारे, राज्य का स्वामी और उसका प्रतीक सम्राट होता है, महामंत्री नहीं !!” चाणक्य कि बाते सुन कर चीनी यात्री को खुद पर बहुत लज्जा आयी कि उसने व्यर्थ ही चाणक्य और उनके निवास स्थान के बारे मे शंका की – इत्तेफाक से उसे समय वहाँ सम्राट चन्द्रगुप्त अपने कुछ कर्मचारियों के साथ आ गए !! उन्होने अपने गुरु के पैर छूये और कहा – “गुरुदेव राजकार्य के संबंध मे आप से कुछ सलाह लेनी थी इसलिए उपस्थित हुआ हूँ !! इस पर चाणक्य ने आशीर्वाद देते हुये कहा – “उस संबंध मे हम फिर कभी बात कर लेंगे अभी तो तुम हमारे अतिथि से मिलो, यह चीनी यात्री हैं !! इन्हे तुम अपने राजमहल ले जाओ !! इनका भली-भांति स्वागत करो और फिर संध्या को भोजन के बाद इन्हे मेरे पास ले आना, तब इनसे बातें करेंगे !!” सम्राट चन्द्रगुप्त आचार्य को प्रणाम करके यात्री को अपने साथ ले कर लौट गए !! संध्या को चाणक्य किसी राजकीय विषय पर चिंतन करते हुये कुछ लिखने मे व्यस्त थे !! सामने ही दीपक जल रहा था !! चीनी यात्री ने चाणक्य को प्रणाम किया और एक ओर बिछे आसान पर बैठ गया !! चाणक्य ने अपनी लेखन सामग्री एक ओर रख दी और दीपक बुझा कर दूसरा दीपक जला दिया !! इस के बाद चीनी यात्री को संबोधित करते हुये बोले – “महाशय, हमारे देश मे आप काफी घूमे-फिरे है !! कैसा लगा आप को यह देश ??” चीनी यात्री ने नम्रता से बोला – “आचार्य, मैं इस देश के वातावरण और निवासियों से बहुत प्रभावित हुआ हूँ !! लेकिन यहाँ पर मैंने ऐसी अनेक विचित्रताएं भी देखीं हैं जो मेरी समझ से परे है !!” “कौन सी विचित्रताएं, मित्र ??” चाणक्य ने स्नेह से पूछा !! “उदाहरण के लिए सादगी की ही बात कर ली जा सकती है !! इतने बड़े राज्य के महामन्त्री का जीवन इतनी सादगी भरा होगा, इस की तो कल्पना भी हम विदेशी नहीं कर सकते !!” कह कर चीनी यात्री ने अपनी बात आगे बढ़ाई !! “अभी अभी एक और विचित्रता मैंने देखी है आचार्य, आज्ञा हो तो कहूँ ??” “अवश्य कहो मित्र, आपका संकेत कौन सी विचित्रता से की ओर है ??” “अभी अभी मैं जब आया तो आप एक दीपक की रोशनी मे काम कर रहे थे !! मेरे आने के बाद उस दीपक को बुझा कर दूसरा दीपक जला दिया !! मुझे तो दोनों दीपक एक समान लगे रहे है !! फिर एक को बुझा कर दूसरे को जलाने का रहस्य मुझे समझ नहीं आया ??” आचार्य चाणक्य मंदमंद मुस्कुरा कर बोले इसमे ना तो कोई रहस्य है और ना विचित्रता !! इन 2 दीपको मे से एक राजकोष का तेल है और दूसरे मे मेरे अपने परिश्रम से खरीदा गया तेल !! जब आप यहाँ आए थे तो मैं राजकीय कार्य कर रहा था इसलिए उस समय राजकोष के तेल वाला दीपक जला रहा था !! इस समय मैं आपसे व्यक्तिगत बाते कर रहा हूँ इसलिए राजकोष के तेल वाला दीपक जलना उचित और न्यायसंगत नहीं है !! लिहाज मैंने वो वाला दीपक बुझा कर अपनी आमनी वाला दीपक जला दिया !!” चाणक्य की बात सुन कर यात्री दंग रह गया और बोला – “धन्य हो आचार्य, भारत की प्रगति और उसके विश्वगुरु बनने का रहस्य अब मुझे समझ मे आ गया है !! जब तक यहाँ के लोगो का चरित्र इतना ही उन्नत और महान बना रहेगा, उस देश की तरक्की को संसार की कोई भी शक्ति नहीं रोक सकेगी !! इस देश की यात्रा करके और आप जैसे महात्मा से मिल कर मैं खुद को गौरवशाली महसूस कर रहा हूँ !!
===============================================================

3>चाणक्‍य की नीति:--

चाणक्‍य की नीतियों ने भारत के इतिहास को बदलने में अहम भूमिका निभाई है और उनकी बातें आज भी उतना ही मायने रखती हैं. पेश हैं उनकी 10 नीतियां, जो आपको भी जीवन में सफलता दिला सकती हैं.

1. दूसरों की गलतियों से ही सीखो. खुद पर प्रयोग करके सीखोगे तो तुम्हारी आयु कम पड़ जाएगी.

2. कुछ लोग हालात बदलने का प्रयास नहीं करते. जीवन जैसे चल रहा है, बस जीते चले जाते हैं. पर जो प्रगति करना चाहते हैं, ऊपर उठना चाहते हैं - वे अपना सब कुछ दांव पर लगाने से नहीं डरते. संभावना है कि वे हार जाएं, कुछ न कर पाएं लेकिन यह जो कुछ कर दिखाने का प्रयास है - यही उन्हें औरों से अलग बनाता है.

3. हमें भूत के बारे में पछतावा नहीं करना चाहिए और न ही भविष्य के बारे में चिंतित होना चाहिए. विवेकवान व्यक्ति हमेशा वर्तमान में जीते हैं.

4. कोई काम शुरू करने से पहले, स्वयं से तीन सवाल जरूर कीजिये - मैं ये क्यों कर रहा हूं, इसके परिणाम क्या हो सकते हैं और क्या मैं सफल हो पाऊंगा? और जब गहराई से सोचने पर इन सवालों के संतोषजनक जवाब मिल जाएं, तभी आगे बढ़ें.

5. कोई व्यक्ति अपने कर्मों से ही महान बनता है, अपने जन्म से नहीं.

6. भय को नजदीक न आने दो. अगर यह नजदीक आए तो इस पर हमला कर दो यानी भय से भागो मत इसका सामना करो.
7. एक बार जब आप कोई काम शुरु करते हैं, तो असफलता से डरे नहीं और ना ही उसे त्‍यागें. ईमानदारी से काम करने वाले लोग खुश रहते हैं.
8. ऐसे व्यक्ति जो आपके स्तर से ऊपर या नीचे के हैं, उन्हें दोस्त न बनाओ. वे तुम्हारे कष्ट का कारण बनेगे। समान स्तर के मित्र ही सुखदायक होते हैं.

9. शिक्षा सबसे अच्छी मित्र है. शिक्षित व्यक्ति सदैव सम्मान पाता है. शिक्षा की शक्ति के आगे युवा शक्ति और सौंदर्य, दोनों ही कमजोर हैं.
10. किसी भी व्यक्ति को बहुत ईमानदार नहीं होना चाहिए. सीधे वृक्ष और व्यक्ति पहले काटे जाते हैं.
===============================================================
4> चाण्क्य उवाच

शांति से बरकर दुसरा कोई तप नहीं हैं।
संतोष से बरकर कोई सुख नहीं हैं।
लालच से बड़ा कोई रोग नहीं हैं।
और दया से बड़ा कोई धर्म नहीं हैं।
=============================
5>आचार्य चाणक्य के 15 अमर वाक्य – संस्कृति।

आचार्य चाणक्य भारत के सबसे विद्वान आचार्य रहे हैं। उन्होंने चंद्रगुप्त जैसे सामान्य लड़के को भारत का सम्राट बनाया था। आचार्य अपनी बुद्धिमता के लिए जाने जाते थे, उनके अमर वाक्यों को आज सभी लोग चाणक्य नीति के नाम से जानते हैं। आज हम आपको इन्हीं मे से 15 अमर वाक्य बताने जा रहे हैं, जरूर पढ़े।

1- दूसरों की गलतियों से सीखो अपने ही ऊपर प्रयोग करके सीखने को तुम्हारी आयु कम पड़ेगी।
2 -किसी भी व्यक्ति को बहुत ईमानदार नहीं होना चाहिए। सीधे वृक्ष और व्यक्ति पहले काटे जाते हैं।
3 -अगर कोई सर्प जहरीला नहीं है तब भी उसे जहरीला दिखना चाहिए वैसे दंश भले ही न दो पर दंश दे सकने की क्षमता का दूसरों को अहसास करवाते रहना चाहिए।
4- हर मित्रता के पीछे कोई स्वार्थ जरूर होता है, यह कड़वा सच है।
5- कोई भी काम शुरू करने के पहले तीन सवाल अपने आपसे पूछो —मैं ऐसा क्यों करने जा रहा हूँ ? इसका क्या परिणाम होगा ? क्या मैं सफल रहूँगा?
6 -भय को नजदीक न आने दो अगर यह नजदीक आये इस पर हमला कर दो यानी भय से भागो मत इसका सामना करो।
7- दुनिया की सबसे बड़ी ताकत पुरुष का विवेक और महिला की सुन्दरता है।
8- काम का निष्पादन करो, परिणाम से मत डरो।
9 -सुगंध का प्रसार हवा के रुख का मोहताज़ होता है पर अच्छाई सभी दिशाओं में फैलती है।”
10- ईश्वर चित्र में नहीं चरित्र में बसता है अपनी आत्मा को मंदिर बनाओ।
11- व्यक्ति अपने आचरण से महान होता है जन्म से नहीं।
12 -ऐसे व्यक्ति जो आपके स्तर से ऊपर या नीचे के हैं उन्हें दोस्त न बनाओ,वह तुम्हारे कष्ट का कारण बनेगे। समान स्तर के मित्र ही सुखदायक होते हैं।
13 -अपने बच्चों को पहले पांच साल तक खूब प्यार करो। छः साल से पंद्रह साल तक कठोर अनुशासन और संस्कार दो। सोलह साल से उनके साथ मित्रवत व्यवहार करो। आपकी संतति ही आपकी सबसे अच्छी मित्र है।”
14 -अज्ञानी के लिए किताबें और अंधे के लिए दर्पण एक समान उपयोगी है।
15 -शिक्षा सबसे अच्छी मित्र है। शिक्षित व्यक्ति सदैव सम्मान पाता है। शिक्षा की शक्ति के आगे युवा शक्ति और सौंदर्य दोनों ही कमजोर हैं।
===================================================================


6>चाणक्य की चुनौती: चार बातें आप किसी को नही सीखा सकते...


एक भारत श्रेष्ठ भारत का मोदी हालही में काफी दोहरा चुके है जो की असल में चाणक्य का दिया हुआ है, इसी सोच से उन्होंने एक आम बालक को मौर्य साम्राज्य का अधिपति बना दिया. उन्होंने चन्द्रगुप्त को बहुत सी चीजे सिखाई लेकिन चार बातों या आदतो या गुणों के बारे में बताया की ये कोई भी किसी को नही सीखा सकता ये व्यक्ति को जन्मजात स्वाभाविक मिलती है.

1.एक भारत श्रेष्ठ भारत का मोदी हालही में काफी दोहरा चुके है जो की असल में चाणक्य का दिया हुआ है, इसी सोच से उन्होंने एक आम बालक को मौर्य साम्राज्य का अधिपति बना दिया. उन्होंने चन्द्रगुप्त को बहुत सी चीजे सिखाई लेकिन चार बातों या आदतो या गुणों के बारे में बताया की ये कोई भी किसी को नही सीखा सकता ये व्यक्ति को जन्मजात स्वाभाविक मिलती है.

2.डिसिशन ओन दी स्पॉट, किसी को भी यह नहीं बताया जा सकता कि वह किस परिस्थिति में क्या करे। हर घडी बदलती दुनिया में सही-गलत का चुनाव व्यक्ति को स्वयं ही करना पड़ता है। जो मनुष्य समय रहते सही रस्ते को चुनता है वह जीवन में कभी बैक सीटेड नहीं रहता है। ये खुबिया व्यक्ति में अपने से ही विकसित होती है, चाहे वो हालातो से सिख लेके, पिछले जन्मो के कर्मो से हो या संस्कारो की वजह से हो पर ये सिखाये नहीं जा सकते है।

3.डिसिशन ओन दी स्पॉट, किसी को भी यह नहीं बताया जा सकता कि वह किस परिस्थिति में क्या करे। हर घडी बदलती दुनिया में सही-गलत का चुनाव व्यक्ति को स्वयं ही करना पड़ता है। जो मनुष्य समय रहते सही रस्ते को चुनता है वह जीवन में कभी बैक सीटेड नहीं रहता है। ये खुबिया व्यक्ति में अपने से ही विकसित होती है, चाहे वो हालातो से सिख लेके, पिछले जन्मो के कर्मो से हो या संस्कारो की वजह से हो पर ये सिखाये नहीं जा सकते है।

4.यदि कोई कटु वक्ता है तो उसे कितना भी समझा लो पर वो अपना स्वभाव लंबे समय तक के लिए नहीं बदल सकता है। जो व्यक्ति जन्म से ही कड़वा बोलने वाला है, उसे मीठा बोलना नहीं सिखाया जा सकता। यह आदत भी व्यक्ति के जन्म के साथ ही उसके स्वभाव में शामिल रहती है।
इस प्रकार चाणक्या ने ये 4 चीजे बताई हैं, जो आप सिख भी नहीं सकते और कोई आपको सीखा भी नहीं सकता ये आपको जन्म जात ही मिलती है।


===================================================================
7>महारानी लक्ष्मीबाई इतिहास*

किसी पुण्यात्मा को जने पर बी आपक मन बी पुण्य हो जता है इसी लिये आत्मा को शुद्ध रके - जय जननी,जय माँ भारती-

*महारानी लक्ष्मीबाई इतिहास*

पूरा नाम – राणी लक्ष्मीबाई गंगाधरराव.
जन्म – 19 नवम्बर, 1828.
जन्मस्थान – वाराणसी.
पिता – श्री. मोरोपन्त.
माता – भागीरथी
शिक्षा – मल्लविद्या, घुसडवारी और शत्रविद्याए सीखी.
विवाह – राजा गंगाधरराव के साथ.

लक्ष्मीबाई उर्फ़ झाँसी की रानी मराठा शासित राज्य झाँसी की रानी थी, जो उत्तर-मध्य भारत में स्थित है. रानी लक्ष्मीबाई 1857 के प्रथम भारतीय स्वतंत्रता संग्राम की वीरांगना थी जिन्होंने अल्पायु में ही ब्रिटिश साम्राज्य से संग्राम किया था.

लक्ष्मीबाई का जन्म वाराणसी जिले के भदैनी नमक नगर में 19 नवम्बर 1828 में हुआ था. उनके बचपन का नाम मणिकर्णिका था परन्तु प्यार से उसे मनु कहा जाता था. मनु की माँ का नाम भागीरथीबाई तथा पिता का नाम मोरोपंत तांबे था. मनु के माता-पिता महाराष्ट्र से झाँसी में आये थे. मनु जब सिर्फ चार वर्ष की थी तभी उनकी माँ की मृत्यु हो गयी थी. मोरोपंत एक मराठी थे और मराठा बाजीराव की सेवा में थे. मनु के माँ की मृत्यु के बाद घर में मनु की देखभाल के लिये कोई नही था इसलिये मनु के पिता उसे अपने साथ पेशवा के दरबार में ले गये, जहा चंचल एवं सुन्दर मनु ने सबका मन मोह लिया था. मनु ने बचपन में ही अपनी प्राथमिक शिक्षा घर से ही पूरी की थी और साथ ही मनु ने बचपन में शस्त्रों की शिक्षा भी ग्रहण की थी.

मई 1842 में 8 वर्ष की उम्र में उनका विवाह झाँसी के मराठा शासित राजा गंगाधर राव नेवालकर के साथ हुआ और वह झाँसी की रानी बनी. विवाह के बाद उनका नाम लक्ष्मीबाई रखा गया.1851 में रानी लक्ष्मीबाई ने एक पुत्र को जन्म दिया जिसका नाम दामोदर राव रखा गया था लेकिन चार महीने की आयु में ही उसकी मृत्यु हो गयी. बाद में महाराजा ने एक पुत्र को दत्तक ले लिया, जो गंगाधर राव के ही भाई का बेटा था, बाद में उस दत्तक लिए हुए बेटे का नाम बदलकर महाराजा की मृत्यु से पहले दामोदर राव रखा गया था. लेकीन ब्रिटिश राज को यह मंजूर नही था इसलिए उन्होंने दामोदर के खिलाफ मुकदमा दायर कर दिया, उस मुक़दमे में दोनों ही तरफ से बहोत बहस हुई लेकिन बाद में इसे ख़ारिज कर दिया गया. कंपनी शासन उनका राज्य हड़प लेना चाहता था. रानी लक्ष्मीबाई ने जितने दिन भी शासनसूत्र संभाला वो अत्याधिक सुझबुझ के साथ प्रजा के लिए कल्याण कार्य करती रही. इसलिए वो अपनी प्रजा की स्नेहभाजन बन गई थी. तत्पश्चात ब्रिटिश अधिकारियो ने राज्य का खजाना जब्त कर लिया और उनके पति के क़र्ज़ को रानी के सालाना खर्च में से काटने का फरमान जारी कर दिया गया. इसके परिणामस्वरूप रानी को झाँसी का किला छोड़ कर झाँसी के रानीमहल में जाना पड़ा. मार्च 1854 को रानी लक्ष्मीबाई को किले को छोड़ते समय 60000 रुपये और सालाना 5000 रुपये दिए जाने का आदेश दिया. लेकिन रानी लक्ष्मीबाई ने हिम्मत नही हरी और उन्होंने हर हाल में झाँसी राज्य की रक्षा करने का निश्चय किया. ब्रिटिश अधिकारी अधिकतर उन्हें झाँसी की रानी कहकर ही बुलाते थे.

घुड़सवारी करने में रानी लक्ष्मीबाई बचपन से ही निपुण थी. उनके पास बहोत से जाबाज़ घोड़े भी थे जिनमे उनके पसंदीदा सारंगी, पवन और बादल भी शामिल है. जिसमे परम्पराओ और इतिहास के अनुसार 1858 के समय किले से भागते समय बादल ने महत्वपूर्ण भूमिका निभाई थी. बाद में रानी महल, जिसमे रानी लक्ष्मीबाई रहती थी वह एक म्यूजियम में बदल गया था. जिसमे 9 से 12 वी शताब्दी की पुरानी पुरातात्विक चीजो का समावेश किया गया है.

उनकी जीवनी के अनुसार ऐसा दावा किया गया था की दामोदर राव उनकी सेना में ही एक था, और उसीने ग्वालियर का युद्ध लड़ा था, ग्वालियर के युद्ध में वह अपने सभी सैनिको के साथ वीरता से लड़ा था. जिसमेतात्या टोपे और रानी की संयुक्त सेनाओ ने ग्वालियर के विद्रोही सैनिको की मदद से ग्वालियर के एक किले पर कब्ज़ा कर लिया. 17 जुन 1858 को ग्वालियर के पास कोटा की सराय में ब्रिटिश सेना से लड़ते-लड़ते रानी लक्ष्मीबाई ने वीरगति प्राप्त की.

भारतीय वसुंधरा को गौरवान्वित करने वाली झाँसी की रानी एक आदर्श वीरांगना थी. सच्चा वीर कभी आपत्तियों से नही घबराता. उसका लक्ष्य हमेशा उदार और उच्च होता है. वह सदैव आत्मविश्वासी, स्वाभिमानी और धर्मनिष्ट होता है. और ऐसी ही वीरांगना झाँसी की रानी लक्ष्मीबाई थी.

रानी लक्ष्मी बाई 

रानी लक्ष्मी बाई (जन्म: 19 नवम्बर 1835 – मृत्यु: 17 जून 1858)
लक्ष्मीबाई का बचपन का नाम मणिकर्णिका था परन्तु प्यार से सब उन्हें मनु कहकर पुकारते थे। मनु का जन्म वाराणसी जिले के भदैनी नामक नगर में 19 नवम्बर 1835 को हुआ था तथा उनकी माँ का नाम भागीरथीबाई तथा पिता का नाम मोरोपन्त तांबे था। मोरोपन्त एक मराठी थे और मराठा बाजीराव की सेवा में थे। माता भागीरथीबाई एक सुसंस्कृत, बुद्धिमान एवं धार्मिक महिला थीं। मनु ने बचपन में शास्त्रों की शिक्षा के साथ शस्त्रों की शिक्षा भी ली। सन् 1842 में उनका विवाह झाँसी के मराठा शासित राजा गंगाधर राव निम्बालकर के साथ हुआ और वे झाँसी की रानी बनीं। विवाह के बाद उनका नाम लक्ष्मीबाई रखा गया। 21 नवम्बर 1853 को राजा गंगाधर राव की मृत्यु हो गयी। झाँसी 1857 के संग्राम का एक प्रमुख केन्द्र बन गया जहाँ हिंसा भड़क उठी। रानी लक्ष्मीबाई ने झाँसी की सुरक्षा को सुदृढ़ करना शुरू कर दिया और एक स्वयंसेवक सेना का गठन प्रारम्भ किया। इस सेना में महिलाओं की भर्ती की गयी और उन्हें युद्ध का प्रशिक्षण दिया गया। साधारण जनता ने भी इस संग्राम में सहयोग दिया।
1857 के प्रथम भारतीय स्वतन्त्रता संग्राम की वीरांगना थीं जिन्होंने मात्र 23 वर्ष की आयु में ब्रिटिश साम्राज्य की सेना से संग्राम किया और रणक्षेत्र में वीरगति प्राप्त की किन्तु जीते जी अंग्रेजों को अपनी झाँसी पर कब्जा नहीं करने दिया।
पतंजलि योगपीठ परिवार की ओर से झाँसी की रानी लक्ष्मीबाई जी की पुण्यतिथि पर उन्हें भावपूर्ण स्मरण
==========================================
8>आचार्य चाणक्य के 15 सूक्ति वाक्य ----

1) "दूसरो की गलतियों से सीखो अपने ही ऊपर प्रयोग करके सीखने को तुम्हारी आयु कम पड़ेगी."

2)"किसी भी व्यक्ति को बहुत ईमानदार नहीं होना चाहिए ---सीधे वृक्ष और व्यक्ति पहले काटे जाते हैं."

3)"अगर कोई सर्प जहरीला नहीं है तब भी उसे जहरीला दिखना चाहिए वैसे दंश भले ही न दो पर दंश दे सकने की क्षमता का दूसरों को अहसास करवाते रहना चाहिए. "

4)"हर मित्रता के पीछे कोई स्वार्थ जरूर होता है --यह कडुआ सच है."

5)"कोई भी काम शुरू करने के पहले तीन सवाल अपने आपसे पूछो ---मैं ऐसा क्यों करने जा रहा हूँ ? इसका क्या परिणाम होगा ? क्या मैं सफल रहूँगा ?"

6)"भय को नजदीक न आने दो अगर यह नजदीक आये इस पर हमला करदो यानी भय से भागो मत इसका सामना करो ."

7)"दुनिया की सबसे बड़ी ताकत पुरुष का विवेक और महिला की सुन्दरता है."

8)"काम का निष्पादन करो , परिणाम से मत डरो."

9)"सुगंध का प्रसार हवा के रुख का मोहताज़ होता है पर अच्छाई सभी दिशाओं में फैलती है."

10)"ईश्वर चित्र में नहीं चरित्र में बसता है अपनी आत्मा को मंदिर बनाओ."

11) "व्यक्ति अपने आचरण से महान होता है जन्म से नहीं."

12) "ऐसे व्यक्ति जो आपके स्तर से ऊपर या नीचे के हैं उन्हें दोस्त न बनाओ,वह तुम्हारे कष्ट का कारण बनेगे. सामान स्तर के मित्र ही सुखदाई होते हैं ."

13) "अपने बच्चों को पहले पांच साल तक खूब प्यार करो. छः साल से पंद्रह साल तक कठोर अनुशासन और संस्कार दो .सोलह साल से उनके साथ मित्रवत व्यवहार करो.आपकी संतति ही आपकी सबसे अच्छी मित्र है."

14) "अज्ञानी के लिए किताबें और अंधे के लिए दर्पण एक सामान उपयोगी है ."

15) "शिक्षा सबसे अच्छी मित्र है. शिक्षित व्यक्ति सदैव सम्मान पाता है. शिक्षा की शक्ति के आगे युवा शक्ति और सौंदर्य दोनों ही कमजोर हैं .

===================================
9> মহান কূটনীতিবিদ আচার্য্য চাণক্যের কিছু
অমর শুক্তি বাক্য :-

তক্ষশিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং প্রাচীণ
ভারতের মহান কূটনীতিবিদ আচার্য্য চাণক্যের কিছু
অমর শুক্তি বাক্য :-
□□□□□□□□□□□□□□□□□□□□□□□□□□
1. অপরের ভুল থেকে নিজে শিক্ষা নাও । কারণ,
সবকিছু নিজের উপর প্রয়োগ করে শিখতে
চাইলে তোমার আয়ু কম পড়বে ।
2. কোনো ব্যক্তির খুব বেশী সহজ-সরল হওয়া
উচিৎ নয় । কারণ, সোজা গাছ এবং সোজা মানুষদের
প্রথমে কাটা হয় ।
3. যদি কোনো সাপ বিষধর নাও হয়, তবুও তার উচিৎ
বিষধর হওয়ার ভান করা-- এমনভাবে, যেন মনে হয়
সে ইচ্ছা করলেই বিষাক্ত দংশন করতে পারে ।
একই ভাবে দূর্বল ব্যক্তিদেরও সবসময় নিজেদের
দূর্বলতাগুলি লুকিয়ে রাখা উচিৎ, যেন অপরে তার
আভাষমাত্র না পায় ।
4. প্রত্যেক মিত্রতার পেছনে কোনো না
কোনো স্বার্থ অবশ্যই থাকে । এটা একটা কটূ
সত্য ।
5. কোনো কাজ শুরু করার আগে সর্বদা
নিজেকে এই তিনটি প্রশ্ন করবে :-
আমি এটা কেন করতে চলেছি ?
এর পরিনাম কী হতে পারে ?
আমার সফলতার সম্ভাবনা কতটা ?
যদি ঐ প্রশ্নগুলির সন্তোষজনক উত্তর পেয়ে
যাও, তবেই কাজ শুরু কর ।
6. একবার কোনো কাজ শুরু করার পর আর অসফল
হওয়ার ভয় রাখবে না, এবং কাজ ছাড়বে না । যারা নিষ্ঠার
সাথে কাজ করে তারাই সবচেয়ে সুখী ।
7. সবচেয়ে বড় গুরুমন্ত্র হল, কখনও নিজের
গোপন বিষয় অপরকে জানাবে না, এটা তোমাকে
ধ্বংস করে দেবে ।
8. কোনো কাজ কালের জন্য ফেলে রাখা উচিৎ
নয় । পরের মূহুর্তে কী ঘটতে চলেছে তা
কে বলতে পারে ?
9. যা ঘটে গেছে তা ঘটে গেছে । যে সময়
অতীত হয়েছে সেটা নিয়ে ভেবে অনুশোচনা
করে সময় নষ্ট করা অর্থহীন । যদি তোমার দ্বারা
কোনো ত্রুটি হয়ে থাকে, তবে তা থেকে
শিক্ষা নিয়ে বর্তমানকে শ্রেষ্ঠ করার চেষ্টা করা
উচিৎ । যাতে ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত রাখা যায় ।
10. কোনো দূর্বল ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের সাথে
শত্রুতা করা আরও বেশী বিপদের । কারণ, সে
এমন সময় এবং এমন জায়গায় আঘাত করতে পারে
যেটার আমরা কল্পনাও করিনি ।
11. অহংকারের মতো শত্রু নেই । সর্বদা নশ্বরতার
কথা মনে রাখবে ।
12. একটি দোষ অনেক গুণকেও গ্রাস করে ।
13. ইন্দ্রিয়গুলিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখ ।
ইন্দ্রিয়ের যে অধীন, তার চতুরঙ্গ সেনা
থাকলেও সে বিনষ্ট হয় ।
14. সর্বদা চুপচাপ এবং গুপ্তরূপে কাজ করা উচিৎ ।
15. যে ব্যক্তি নিশ্চিতকে ছেড়ে অনিশ্চিতের
দিকে ধাবিত হয়, তার উভয়ই নষ্ট হয় ।
16. অতি সুন্দরতার কারণে সীতার হরণ হয়েছিল, অতি
গর্বের কারণে রাবণের পতন হল, এবং অতি দানী
হওয়ার জন্য বলিকে পাতালে যেতে হয়েছিল ।
সুতরাং "অতি" কে সর্বদা ত্যাগ করা উচিৎ ।
17. ভয়কে কেবল ততক্ষণ ভয় কর, যতক্ষণ সেটা
তোমার থেকে দূরে আছে ।
18. তোমার প্রতিবন্ধকতাকে (বাধা) তোমারই
পক্ষে কাজে লাগাও । যদি তুমি অবস্থাকে নিজের
পক্ষে আনতে না পার, তবে শত্রুদের জন্য তা
জটিল করে দাও ।

======================================================

13>उज्जैन के कुम्भ =भारत के 111 प्राचीन मंदिर

13>1>उज्जैन के  कुम्भ मेल
      2>भारत के 111 प्राचीन मंदिर – हमारा भारत।



1>उज्जैन के  कुम्भ मेल




========================================================
2>भारत के 111 प्राचीन मंदिर – हमारा भारत।

मंदिर भगवान का आलय होता है इसे देवालय कहा जाता है क्योंकि मंदिर में देवता निवास करते हैं। मंदिरों का सनातन धर्म में बहुत महत्व है। मंदिरों में लोग अपनी मनोकामना पूर्ण करने हेतु भगवान से प्रार्थना करते हैं। वैसे तो रोज भारत में कहीं ना कहीं धार्मिक लोग मंदिर बनवाते रहते हैं, पर इस पोस्ट में हम भारत के एक सौ ग्यारह 111 अतंय्त प्राचीन मंदिरो के लिस्ट देने जा रहे हैं। जरूर पढ़े। इनमेसे कुछ मंदिर अब तत्कालीन पाकिस्तान में भी हैं।

अखंड भारत की चारों दिशाओं में स्थित प्राचीन व भव्य 111 मंदिरों की लिस्ट। यदि आप आध्यात्मिक अनुभव लेना चाहते हैं तो यहां जरूर जाएं।
इसे जरूर पढ़ें…हिन्दू धर्म : तीर्थ करना है जरूरी
1. काशी विश्वनाथ मंदिर वाराणसी, उत्तरप्रदेश
2. श्रीरामनथा स्वामी मंदिर रामेश्वरम्, तमिलनाडु
3. श्रीजगन्नाथ मंदिर, पुरी, ओडिशा
4. सूर्य मंदिर कोणार्क, ओडिशा
5. श्रीपद्मनाभस्वामी मंदिर तिरूअनंतपुरम, केरल
6. श्रीमहाकालेश्वर मंदिर उज्जैन, मध्यप्रदेश
7. श्रीगंगा सरस्वती मंदिर बसरा, तेलंगाना
8. एकलिंगनाथजी मंदिर, उदयपुर, राजस्थान
9. श्रीद्वारकाधीश, गुजरात
10. श्रीकृष्ण जन्मभूमि मंदिर, मथुरा
11. श्रीदक्षिणेश्वर मंदिर, कोलकाता
12. श्रीसिद्धिविनायक मंदिर, मुंबई
13. श्रीवेंकटेश्वर मंदिर, तिरूपति
14. कंधारिया महादेव मंदिर, खजुराहो
15. केदारनाथ, उत्तराखंड
16. श्रीमुरूदेश्वर स्वामी मंदिर, कर्नाटक
17. पशुपतिनाथ मंदिर, काठमांडू
18. गंगोत्री मंदिर, उत्तराखंड
19. श्रीनाथजी मंदिर, नाथद्वारा
20. ब्रह्मा मंदिर, पुष्कर :
21. बद्रीनारायण मंदिर, उत्तराखंड
22. रघुनाथ मंदिर, जम्मू
23. श्रीसोमेश्वर स्वामी मंदिर, गुजरात
24. श्री अयप्पा मंदिर, केरल
25. श्री मीनाक्षी मंदिर, मदुरै
26. श्री कृष्ण मंदिर, केरल
27. श्री रंगनाथा स्वामी मंदिर, श्रीरंगम, तमिलनाडु
28. श्री थिल्लई नटराज मंदिर, चिदंबरम, तमिलनाडु
29. श्री कनक दुर्गा देवी मंदिर, विजयवाडा, आंध्रप्रदेश
30. श्री सीता रामचंद्र स्वामी मंदिर, भद्राचलम, तेलंगाना
31. श्री नरसिम्हा मंदिर, अहोबिलम, आंध्र प्रदेश
32. विरूपक्ष मंदिर, हम्पी, कर्नाटक
33. एकमबरेश्वर मंदिर, कांचीपुरम, तमिलनाडु
34. श्री अंबाजी मंदिर, बनासकांठा, गुजरात
35. श्री चामुंडेश्वरी मंदिर, मैसूर, कर्नाटक
36. बृहदीश्वरर मंदिर, थंजावुर, तमिलनाडु
37. होयसेलेश्वरा मंदिर, हलेबिडु, कर्नाटक
38. श्री अरूणाचलेश्वर मंदिर, तिरूवन्नामलाई, तमिलनाडु
39. कंधारिया महादेव मंदिर, खजुराहो, मध्यप्रदेश
40. श्री चतुर्मुख ब्रह्मलिंगेश्वर मंदिर, चेबरोलु, आंध्र प्रदेश
41. एरावटेश्वर मंदिर, दारासुरम, तमिलनाडु
42. श्री मुरूदेश्वर स्वामी मंदिर, भटकल, कर्नाटक
43. शीतला माता मंदिर, गुड़गांव
44. श्री मंजुनाथ मंदिर, कर्नाटक
45. श्री जोगुलंब मंदिर, तेलंगाना
46. मनसा देवी मंदिर, हरिद्वार
47. श्री चेन्नकेश्वर मंदिर, कर्नाटक
48. श्री बैजनाथ मंदिर, हिमाचल
49. कैलाशनाथ मंदिर, तमिलनाडु
50. श्री वीरभद्र मंदिर, आंध्र प्रदेश
51. श्री ग्रश्नेश्वर मंदिर, महाराष्ट्र
52. श्री कृष्ण मंदिर, कर्नाटक
53. श्री मूकम्बिका देवी मंदिर, कोल्लूर, कर्नाटक
44. श्री वरदराजा स्वामी मंदिर, कांचीपुरम, तमिलनाडु
55. श्री वीर वेंकट सत्यनारायण स्वामी मंदिर, अन्नावरम्, आंध्र प्रदेश
56. श्री बैद्यनाथ मंदिर, झारखंड
57. श्री वरह लक्ष्मी नरसिम्हा स्वामी मंदिर, सिम्हाचलम, आंध्र प्रदेश
58. श्री लिंगराज मंदिर, भुवनेश्वर
59. श्री राम लला मंदिर, अयोध्या
60. श्रीमुखलिंगेश्वर मंदिर, श्रीकाकुलम, आंध्रप्रदेश
61. त्रिपुरेश्वरी मंदिर, उदयपुर, त्रिपुरा
62. श्री मुक्तेश्वर मंदिर, भुवनेश्वर
63. यमुनोत्री मंदिर, उत्तराखंड
64. कामाक्षी अम्मन मंदिर, कांचीपुरम, तमिलनाडु
65. वेदनारायण स्वामी मंदिर, चित्तूर, आंध्र प्रदेश
66. श्रीमुंडेश्वरी मंदिर, बिहार
67. वडक्कमनाथन मंदिर, केरल
68. श्रीमहालसा नारायणी देवी मंदिर, पोंडा, गोवा
69.श्रीसूर्य मंदिर, मोधेरा, गुजरात
70. श्रीमल्लिकार्जुन स्वामी मंदिर, श्रीसैलम, आंध्र प्रदेश
72. कामाख्या मंदिर, गुवाहाटी, असम
73. त्रयम्बकेश्वर मंदिर, महाराष्ट्र
74. रामप्पा मंदिर, तेलंगाना
75. श्रीवैकुंटनाथ स्वामी, श्री वैकुंठम, तमिलनाडु
76. श्रीवैकोम महादेव मंदिर, केरल
77. दन्तेश्वरी मंदिर, छत्तीसगढ़
78. महानन्दीश्वर मंदिर, महानन्दी, आंध्र प्रदेश
79. श्री महालक्ष्मी मंदिर, कोल्हापुर, महाराष्ट्र
80. श्रीवरसिद्धि विनायक मंदिर, कनिपक्कम, आंध्र प्रदेश
81. श्रीमुर्गन मंदिर, तमिलनाडु
82. श्रीथिरूनारायण स्वामी मंदिर, मेलकोट, कर्नाटक
83. श्रीलक्ष्मीनारायण मंदिर, चम्बा, हिमाचल प्रदेश
84. भद्र मारूति मंदिर, महाराष्ट्र
85. तुलजा भवानी मंदिर, महाराष्ट्र
86. श्री सलासर हनुमान मंदिर, सलासर, राजस्थान
87. श्रीनैना देवी मंदिर, हिमाचल प्रदेश
88. मन्नारशाला श्रीनागराज मंदिर, अलप्पुझा, केरल
89. श्रीकरमंध मंदिर, श्रीकरमम, आंध्र प्रदेश
90. श्रीशांता दुर्गा मंदिर, कावालेम, गोवा
91. जगद्पिता ब्रह्मा मंदिर, पुष्कर
92. श्रीविष्णुपद मंदिर, गया
93. श्रीबद्रीनारायण मंदिर, बद्रीनाथ
94. श्रीचौंसठ योगिनी मंदिर, ओडिशा
95. श्रीकैलाशनाथ मंदिर, एलोरा
96. श्रीमेहंदीपुर बालाजी, मेहंदीपुर राजस्थान
98. श्रीलक्ष्मी नरसिम्हा स्वामी मंदिर, यादगिरीगट्टा, तेलंगाना
99. हनुमानधारा, चित्रकुट उत्तर प्रदेश
100. हिंगलाज माता मंदिर, बलूचिस्तान, पाकिस्तान
101. मंचमुख हनुमान मंदिर, कराची, पाकिस्तान
102. यशोरेश्वरी, जिला खुलना, बांग्लादेश
103. श्री शबरी मंदिर गुजरात
104. शनि मंदिर, शिंगणापुर, महाराष्ट्र
105. श्रीमहाकालीका मंदिर, पावागढ़, गुजरात
106. कैलाश मानसरोवर, तिब्बत, चीन
107. बाबा अमरनाथ, कश्मीर, जम्मू और कश्मीर
108. श्रीवेष्णोदेवी मंदिर, जम्मू, जम्मू और कश्मीर
109. श्री गजानन महाराज, शेगांव, महाराष्ट्र
110. श्री बाबा रामदेव मंदिर, रुणिचा धाम रामदेवरा, राजस्थान
111. श्री गोरखनाथ मंदिर गोरखिया राजस्थान ।।
======================================================